মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের জেল দাবি! কেন সরব সাকেত গোখলে? কারণ জানলে চমকে যাবেন

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
3 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (Final Voter List) প্রকাশ হবে।  এর আগে সাম্প্রতিক সময়ে সব থেকে বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে এসআইআর। যেখানে এখনও পর্যন্ত ৮০ লক্ষ ভোটারের ভোটার তালিকায় সংশোধনের যাচাই বাছাই প্রক্রিয়া বাকি রয়েছে।  ঠিক এই মুহূর্তে ভোটের থেকেও ভীতির কারণ হয়ে উঠেছে এসআইআর তালিকায় নাম থাকা না থাকা নিয়ে। ফলে রাশ ধরতে হয়েছে আদালতকে।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

আর তিন দিন তারপরই এসআইআর-এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ পাবে রাজ্য জুড়ে।  কিন্তু প্রশ্ন এত অল্প সময়ে কীভাবে শেষ হবে লক্ষ লক্ষ নথির যাচাই? আদালতে এই সংশয় উঠতেই দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, প্রয়োজনে অন্য রাজ্য থেকে বিচারক আনতে হবে।  সেই অনুযায়ী কলকাতা হাই কোর্ট-এর কাজে সহায়তার জন্য ওড়িশা হাই কোর্ট ও ঝাড়খণ্ড হাই কোর্ট থেকে বিচারক আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে ২৫০ জন জেলা ও অতিরিক্ত জেলা জজ কাজ করছেন।  যদিও হিসাব বলছে, প্রত্যেকে দিনে ২৫০টি মামলা নিষ্পত্তি করলেও সময় লাগবে প্রায় ৮০ দিন! অথচ ডেডলাইন ২৮ ফেব্রুয়ারি।  ফলে একদিকে এত সংখ্যক মানুষের নথির যাছাই বাছাই প্রক্রিয়া ব্যাহত থাকবেও বলে মনে করছেন অনেকেই।

যদিও শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছে সময়মতো চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হবে, প্রয়োজনে পরে সাপ্লিমেন্টারি তালিকাও বের করা যাবে। এখন দেখার, সময়ের সঙ্গে এই দৌড়ে শেষ পর্যন্ত কী দাঁড়ায়।

রাজ্যের ভোটার তালিকা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ECI) সাম্প্রতিক ভূমিকা নিছক ‘ভুল’ নয়, বরং এক ‘সুপরিকল্পিত অপরাধ’।  বুধবার এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ দাগেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সাকেত গোখলে নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এক পোস্টে।  এবার সরাসরি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে জেলের দাবি তুলেন তিনি।

তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সাকেত‌ গোখলে‌ দাবি করেন, ২০০২ সালের ভোটার তালিকা বাংলা থেকে ইংরেজিতে রূপান্তর করতে ‘রহস্যময়’ এআই সফটওয়্যার ব্যবহার করেন নির্বাচন কমিশন।  ফলে সাধারণ নাম ‘অমিত’ হয়ে গেছে ‘O-mit’! এভাবে নামের মিল না থাকায় ১.৬৭ কোটি ভোটারকে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। পরে এই সংখ্যা কমে ৯৫ লক্ষ ভোটারকে শুনানির নোটিস দেওয়া হয়।  তৃণমূল নেতা জানান এটা ইচ্ছাকৃত সফটওয়্যার ম্যানিপুলেশন।

এছাড়াও কেন্দ্রীয় সরকারের অফিসারদের ‘মাইক্রো-অবজারভার’ হিসেবে নিয়োগ করে তাঁদের হাতে ভোটার নাম কাটার বেআইনি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল।  কোনও সরকারি বিজ্ঞপ্তি বা গেজেট ছাড়াই স্রেফ নির্বাচন কমিশন। এদিন এমন‌ই বিস্ফোরক অভিযোগ করেন।

উল্লেখ্য, যদিও এক‌ই দাবি তৃণমূল বারবার করে আসছেন তাঁরা জানান নির্বাচন কমিশন বিজেপিকে সমর্থন করতে এভাবে উঠেপড়ে লেগেছে।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।