ED arrests I-PAC Director: আইপ্যাক ডিরেক্টর ভিনেশকে গ্রেফতার করল ইডি, “ভয় দেখিয়ে লাভ নেই” বিজেপিকে কড়া হুঙ্কার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
3 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

কয়লা পাচার মামলায় এক বড় পদক্ষেপ নিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।  সোমবার রাতে দিল্লি থেকে রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাক (I-PAC) এর অন্যতম ডিরেক্টর ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা ভিনেশ চান্ডেলকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।  এদিন, সোমবারের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হলো ইডি (এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট) কর্তৃক রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা ‘আই-প্যাক’ (I-PAC)-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা তথা অন্যতম ডিরেক্টর ভিনেশ চান্দেলের গ্রেফতারি।  অর্থ পাচার সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্তের সূত্র ধরেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।  কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ‘প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট’ (PMLA) বা আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনের আওতায় দিল্লি থেকে তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে ইডি।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

ইডি-র দাবি, কয়লা পাচারের একটি বড় অংশের টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে আইপ্যাক-এর অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে।  ইতিপূর্বে ভিনেশের বাসভবনে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিও উদ্ধার করেছিলেন তদন্তকারীরা।  এই গ্রেফতারিকে কেবল আইনি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে না তৃণমূল শিবির।  খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডেলে গর্জে উঠেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, ভোটের ঠিক মুখে এই ধরণের পদক্ষেপ আসলে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশকে নষ্ট করার একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।  বিরোধীদের সঙ্গে কাজ করলেই কেন্দ্রীয় সংস্থাকে লেলিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা গণতন্ত্রের বদলে ‘ভয়ের রাজত্ব’ কায়েম করার চেষ্টা মাত্র।

এছাড়াও এদিন বিজেপির ওপর তোপ দেগে অভিষেক বলেন, “মানুষ সব দেখছে, যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়প্রমাণ অভিযোগ, তাঁরা বিজেপিতে গেলেই ধোয়া তুলসী পাতা হয়ে যাচ্ছেন।  অথচ অন্যদের রাজনৈতিক স্বার্থে টার্গেট করা হচ্ছে।” সরাসরি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিশানা করে অভিষেক চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন।  তাঁর হুঙ্কার, “৪ ও ৫ মে সমস্ত কেন্দ্রীয় সংস্থাকে নিয়ে আপনারা বাংলায় আসুন।  বাংলা মাথা নত করবে না, বাংলা ভয় পেতে জানে না। চাপের মুখে কীভাবে রুখে দাঁড়াতে হয়, তা বাংলা আপনাদের বুঝিয়ে দেবে।”

উল্লেখ্য যে, এই মামলার সূত্রপাত হয় চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি।  সেদিন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) একযোগে অভিযান চালায় রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা ‘আই-প্যাক’ (I-PAC)-এর কার্যালয় এবং এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা তথা ডিরেক্টর প্রতীক জৈনের কলকাতার বাসভবনে।  সে সময় তল্লাশি চলাকালীন এক নজিরবিহীন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় যখন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং সেখানে উপস্থিত হন।  তবে তিনি একা নন, তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য পুলিশের তৎকালীন মহানির্দেশক (DG) রাজীব কুমার এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা।  কেন্দ্রীয় এজেন্সির তল্লাশি চলাকালীন রাজ্যের প্রশাসনিক ও পুলিশি প্রধানদের সেখানে উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্কের জন্ম দেয়।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।