ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)-র সর্বভারতীয় সভাপতির দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করলেন নিতিন নবীন। পশ্চিমবঙ্গ ও আসামের ছাব্বিশে ভোটের আগে দলের নেতৃত্বে দায়িত্ব নেওয়া এই ৪৫ বছর বয়সি বিহারের নেতা বিজেপির ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন। মঙ্গলবার নয়াদিল্লির বিজেপি সদর দপ্তরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গড়করি, বিদায়ী সভাপতি জে পি নাড্ডা-সহ বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রী-সহ বিপুল সংখ্যক প্রবীণ নেতাও এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
এছাড়াও এ দিন প্রধানমন্ত্রী মোদি মঞ্চে উঠে বলেন, বিশ্বের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তিনি নিতিন নবীনকে শুভেচ্ছা জানান। দলকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য তিনি সমস্ত প্রাক্তন জাতীয় সভাপতিদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
একইসঙ্গে মোদী যেই মন্তব্য করে মোদি বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রী হলেও বিজেপির একজন সাধারণ কার্যকর্তা। দলের সভাপতি নিতিন নবীনই তাঁর ‘বস’।
এর আগে এই পদে দায়িত্ব পালন করছেন বিদায়ী সভাপতি জে.পি. নাড্ডা। বিজেপি পার্টি প্রতিষ্ঠার পর থেকে সর্বমোট পদে যারা দায়িত্ব পালন করেছেন তারা হলেন — অটলবিহারী বাজপেয়ী, লালকৃষ্ণ আদভানি, মুরলী মনোহর যোশী, কুশাভাউ ঠাকরে, বঙ্গারু লক্ষ্মণ, এম. ভেঙ্কাইয়া নাইডু, রাজনাথ সিং, নিতিন গড়করি, রাজনাথ সিং, অমিত শাহ, জে.পি. নাড্ডা, নিতিন নবীন।
উল্লেখ্য, নীতিন নবীন বিহারের ৫ বারের বিধায়ক তথা ২০১০ সাল থেকে একটানা বাঁকিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রতিনিধিত্ব করছেন। ২০০৬ সালে প্রথমবার পটনা পশ্চিম থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। সংগঠক হিসেবে দলের অন্দরে তাঁর সুপরিচিতি রয়েছে। সম্প্রতি তাঁকে বিজেপির জাতীয় কার্যকরী সভাপতি করা হয়েছিল। এবার তিনি দলের ১২ তম কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।

