১২ই ফেব্রুয়ারী ভারত বন্ধ! খোলা থাকবে রাজ্যের সব দপ্তর, কামাই করলে বেতন কাটা, বন্ধের দিনেই শুরু পরীক্ষা, চাপ বাড়ছে রাজ্যের

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

একদিকে উচ্চ মাধ্যমিক ও একাদশের পরীক্ষা শুরু, সঙ্গে মাধ্যমিকের ঐচ্ছিক পরীক্ষাও।  অন্যদিকে ২৪ ঘণ্টার ভারত বন্ধের ডাক।  আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার শিক্ষাঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ দিনে রাজ্যজুড়ে তৈরি হয়েছে টানটান উত্তেজনার আবহ।  পরীক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের লড়াইয়ের মাঝেই রাস্তায় নামার প্রস্তুতি শ্রমিক সংগঠনগুলির, ফলে স্বাভাবিকতা বজায় রাখা নিয়েই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজ্য প্রশাসনের।  যদিও এরই মাঝে নবান্নের তরফে ঘোষণা করেছে, রাজ্যে সরকারি ও সরকার পোষিত কোনও প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে না।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

বুধবার অর্থ দপ্তর থেকে জারি হওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সেদিন সব দপ্তর খোলা থাকবে এবং সকল কর্মীকে কাজে যোগ দিতেই হবে।  কেউ অফিস কামাই করলে কোনও ক্যাজুয়াল লিভ বা হাফ-ডে ছুটি গ্রাহ্য হবে না।  অনুপস্থিত থাকলে সেই দিনটি ‘ডাইস-নন’ হিসেবে গণ্য হবে অর্থাৎ বেতন কাটা যাবে।  এক কথায়, ‘নো-স্যালারি ডে’।

তবে কিছু ক্ষেত্রে ছাড় রয়েছে। যেমন কেউ হাসপাতালে ভর্তি থাকলে, পরিবারে কোনো শোকের ঘটনা ঘটেছে, গুরুতর অসুস্থতা আগে থেকেই চললে, বা আগে থেকে চাইল্ড কেয়ার লিভ, মাতৃত্বকালীন ছুটি, মেডিক্যাল লিভ বা আর্নড লিভ মঞ্জুর থাকলে তা বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন।  তবে এরজন্য প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র দেখাতে হবে।

কেন এই বন্ধ?

নতুন চারটি শ্রম কোড বাতিলের দাবিতে এই দেশব্যাপী ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে INTUC, AITUC, HMS, CITU, AIUTUC, TUCC, SEWA, AICCTU, LPF, UTUC-সহ ১০টি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন।  তাদের অভিযোগ, নতুন আইনে শ্রমিকদের অধিকার খর্ব হয়েছে, চাকরির নিরাপত্তা কমেছে এবং নিয়োগ-ছাঁটাই সহজ হয়েছে। বেসরকারিকরণ, মজুরি কাঠামো ও সামাজিক সুরক্ষা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনগুলি।

ইউনিয়নগুলি দাবি করেন, অন্তত ৩০ কোটি শ্রমিক এই ধর্মঘটে অংশ নেবেন। গত বছরের ৯ জুলাইয়ের আন্দোলনে প্রায় ২৫ কোটি শ্রমিক অংশ নিয়েছিলেন।  এবার ৬০০-রও বেশি জেলায় ধর্মঘটের প্রভাব পড়তে পারে বলেও দাবি তাদের। পাশাপাশি মনরেগা (MGNREGA) পুনরুজ্জীবিত করা এবং ‘বিকশিত ভারত গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ) আইন, ২০২৫’ বাতিলের দাবিও তুলেছেন।  ইতিমধ্যে কৃষক সংগঠনগুলির একাংশও এই কর্মসূচিকে সমর্থন জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, এদিন ব্যাঙ্ক খোলা থাকবে বলে জানা গেছে, এছাড়াও এটিএম ও অনলাইন ব্যাংকিং পুরোপুরি চলবে।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।