E20 Petrol: এবার থেকে পেট্রলে ইথানল মিশিয়ে বিক্রি করবে সরকার, ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর নয়া নির্দেশিকা

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
3 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

নয়া দিল্লি: আগামী ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে সারা দেশে পেট্রোল পাম্পগুলোতে ইথানল-মিশ্রিত পেট্রল (E20) বিক্রি করা লাগবে বাধ্যতামূলক।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

এতে পেট্রলে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ ইথানল মেশানো থাকবে এবং রিসার্চ অকটেন নম্বর (RON) কমপক্ষে ৯৫ হতে হবে। ফেব্রুয়ারি ১৭ তারিখে জারি এই নির্দেশিকা অনুযায়ী জানা যায়, ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস (BIS) এর নির্ধারিত মান মেনে চলতে হবে।  এতদিন সাধারণত পেট্রোলে (E0) বা E10 এর আধিপত্য থাকলেও, এবার সেই ছবি বদলে যাচ্ছে।

কেন এই নতুন নিয়ম?
কেন্দ্রীয় সরকারের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয়ের তরফ জানানো হয়েছে, বিপুল পরিমাণ ক্রুড অয়েল বা অপরিশোধিত তেল আমদানি করতে হয় ভারতকে।  ইথানলের ব্যবহার বাড়লে আমদানি খরচ কমবে, যা জাতীয় অর্থনীতিতে বড় স্বস্তি আনবে।  ইথানল দেশের ভিতরেই কৃষিজাত পণ্য (আখ, ভুট্টা, শস্য) থেকে তৈরি হয়, তাই এতে কৃষকদের আয় বাড়বে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা হবে।  এছাড়াও সাধারণ পেট্রোলের তুলনায় ইথানল মিশ্রিত পেট্রোল কম কার্বন নিঃসরণ করে, যা বায়ু দূষণ কমাতে সাহায্য করবে।

এরফলে আপনার গাড়ির কী প্রভাব পড়বে?
এর পুরনো যেসব গাড়িগুলো রয়েছে তাঁদের মাইলেজ কিছুটা কমে যাবে ও ইঞ্জিনের প্রভাব পড়বে।  তবে ২০২৩ সালের পর নির্মিত গাড়ি-মোটরসাইকেল সেরকমভাবে কোনো সমস্যায় পড়তে হবে না মূলত এইসব গাড়িগুলো ইথানল‌ মিশ্রিত (E20) এর জন্যই ডিজাইন করা হয়েছে।

সম্প্রতি সময়ে এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন মন্ত্রী নীতিন গড়কড়ি কে‌ বিরোধীদের তোপের মুখে পড়তে হয়। বিরোধী শিবির কংগ্রেস অভিযোগ তোলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়কড়ির দুই ছেলে নিখিল ও সারাং গড়কড়ির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান যথাক্রমে CIAN Agro Industries এবং Manas Agro Industries সরাসরি ইথানল উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত।  বিরোধীদের মতে, এই সরকারি সিদ্ধান্তের ফলে মন্ত্রীপুত্রের কোম্পানিগুলো আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে এবং তাদের ব্যবসার পরিধি অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে।  যদিও অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে এসেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়কড়ি।  তাঁর দাবি, ইথানল নীতি কোনো একক ব্যক্তির সিদ্ধান্ত নয়, বরং এটি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একটি সম্মিলিত ও সুচিন্তিত নীতি।  এছাড়া তিনি এই অভিযোগকে ‘রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ এবং ‘পেট্রোল লবির’ অপপ্রচার বলে মন্তব্য করেছেন।

উল্লেখ্য, বিশ্বের বহু দেশে ইথানল‌ মিশ্রিত তেল‌ বিক্রি হয়।  এছাড়াও প্যারাগুয়োতে‌ E20 ও E30 জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার হয়।  এখন দেখার বিষয়ে দাঁড়িয়েছে ইথানল‌ মিশ্রিত পেট্রলের দাম কমবে কি বাড়বে সেদিকে তাকিয়ে দেশবাসী।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।