তেল দখলকে কেন্দ্র করে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযান, আটক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

দীর্ঘদিন ধরেই আমেরিকা ভেনে়জ়ুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোর বিরুদ্ধে আমেরিকায় মাদক পাচারের অভিযোগ তুলে আসছিল।  এই অভিযোগকে সামনে রেখে ভেনেজ়ুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তার দেশ থেকে অপহরণ করেছে আমেরিকান বাহিনী।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

নিকোলাস মাদুরো কারাকাসের এক সাধারণ পরিবারে জন্ম নিলেও, ছাত্রজীবনে বাম রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে সেখান থেকে একসময় হুগো শাভেজের ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠে।  শাভেজ আমলে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন এবং শাভেজের মৃত্যুর পর ২০১৩ সালে ভেনেজুয়েলা রাষ্ট্রপতি হন।  এরপর ২০২৪ সালের নির্বাচনে নির্বাচিত হলে তাঁকে বৈধ সরকারপ্রধান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি।

মূলত তাই হয়ে উঠে আমেরিকার ক্ষোভ তাদের সঙ্গে ভেনেজুয়েলার সম্পর্কে অবনতি শুরু হয় শাভেজ আমলে, এরপর মাদুরো‌ সেই জায়গায় অবস্থান করলে ধীরে ধীরে আমেরিকার সম্পর্ক অবনতি ঘটে।  এদিকে তখন মাদুরো আমেরিকার সমাজতান্ত্রিক ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলেন।

উল্লেখযোগ্যভাবে, নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার ঘটনার সঙ্গে মাদক পাচার দমনের কোনো সম্পর্ক এবং নেই কোনো শক্ত প্রমাণ যা‌ প্রকাশ্যে এসেছে।  জানা গেছে ভেনেজ়ুয়েলায় রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম অপরিশোধিত তেলের ভান্ডার সেগুলো আমেরিকা নিয়ন্ত্রণে আনতে অপহরণ করেছে ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে।  এছাড়াও ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে একাধিক সামরিক হামলা চালানো হয়।

এদিকে হামলার পর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দাবি করেন, প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে তাদের আমেরিকান বাহিনী অপহরণ করে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

জানা গেছে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তার করে নিউ ইয়র্কে নিয়ে আসা হয়েছে।  এই সুযোগেই দেশটির তেল ভান্ডারে অবাধে রাজত্ব করতে চায় আমেরিকা।  ইতিমধ্যে ট্রাম্প ঘোষণা করেন আপাতত ভেনেজ়ুয়েলার শাসন চালাবে আমেরিকা।

এটাই হয়ে উঠবে ভারত সহ বিভিন্ন দেশের জন্য চ্যালেঞ্জিং বিষয় আমেরিকার কাছ থেকে তেল কেনা।  এরপরও এই বিষয়ে ভারত কোন শব্দ ব্যবহার করেননি।  ভেনেজুয়েলার ৩০৩ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের মজুত শুধু জ্বালানি নয়, এটা বৈশ্বিক রাজনীতির ক্ষমতার যদি বদলে দেওয়ার মতো ক্ষমতা রাখে।

এদিকে ভেনেজুয়েলার তেল কোম্পানিগুলোকে আমেরিকার কাছে খুলে দিয়েছে ট্রাম্প, তাহলে এরপর থেকে আমেরিকা ভেনে়জ়ুয়েলায় শাসন চালাবে? যদিও পুরো বিষয়টিকে তেল দখল নাকি আমেরিকা জোরপূর্বক ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক স্বাধীনতা কেড়ে নিতে চাইছে।  বিভিন্ন মহলে ফুটে উঠেছে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর গ্রেপ্তারি।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।