দেশজুড়ে সরকারি অনুষ্ঠান ও স্কুলে বড়সড় বদল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নতুন নির্দেশে জানানো হয়েছে, এবার থেকে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বা বাজানো বাধ্যতামূলক। শুধু তাই নয়, জাতীয় সঙ্গীতের মতোই এই গান পরিবেশনের সময়ও সকলকে দাঁড়িয়ে সম্মান জানাতে হবে।
নতুন নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলেছে, যেখানে জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’ এবং জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ একসঙ্গে পেশ করা হবে, সেখানে প্রথমে গাওয়া হবে ‘বন্দে মাতরম’-এর নির্ধারিত ছয়টি স্তবক। এবং এরপর গাওয়া বা বাজানো হবে জাতীয় সঙ্গীত। এই ছয় স্তবকের মোট সময় নির্ধারণ করে দিয়েছে বলা হয়েছে ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড শেষ করতে হবে।
তবে সিনেমা হল, নিউজ রিল বা তথ্যচিত্র প্রদর্শনের ক্ষেত্রে দাঁড়ানোর এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না বলে স্পষ্ট করা হয়েছে।
এই নিয়ম শুধু স্কুল-কলেজ বা সরকারি দফতরেই নয় রাষ্ট্রপতির আগমন, জাতির উদ্দেশে ভাষণ, পতাকা উত্তোলন এই সব গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অনুষ্ঠানে নির্ধারিত সংস্করণের ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বা বাজানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
একই নির্দেশ রাজ্যপালদের ক্ষেত্রেও। তাঁদের আগমন থেকে প্রস্থান দু’সময়েই বাজতেই হবে ‘বন্দে মাতরম’। কেন্দ্রের এই কড়া সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।
উল্লেখ্য, ১৮৭৫ সালে রচিত এবং ১৮৮২ সালে ‘আনন্দমঠ’-এ প্রকাশিত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বন্দে মাতরম’ ১৫০ বছরে পা দিয়েছে। ১৮৯৬ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম গানটি পরিবেশন করেন। ১৯৫০ সালে এটি জাতীয় গানের মর্যাদা পায়।

