Banglar Yubasathi Schem: অগস্ট নয়, এপ্রিল থেকেই বেকার যুবকদের ভাতা ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, কিভাবে আবেদন করবেন জানুন বিস্তারিত

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

আর অগস্টে নয়, অনেক আগেই শুরু হচ্ছে রাজ্য সরকারের নতুন প্রকল্প।  আগামী ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে চালু হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে মাধ্যমিক পাশ বেকার যুবকদের জন্য ‘বাংলার যুব সাথী’ (Yubasathi Schem) প্রকল্প।  এ দিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, নতুন অর্থবছর শুরু হচ্ছে ১ এপ্রিল।  তাই দেরি করার কোনও দরকার নেই।  যুবকরাই বাংলার ভবিষ্যৎ এই ভাবনা থেকেই প্রকল্পটি আগেভাগে চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কোথায় এবং কীভাবে আবেদন করতে হবে, সে বিষয়েও স্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  তিনি জানান, রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রেই আলাদা করে সহায়তা শিবির বসানো হবে।  আবেদন প্রক্রিয়া হবে একেবারে ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্পের মতো হবে, যেমনভাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে আবেদন করা হয়েছিল। 
এবং এই শিবিরগুলিতে ছুটির দিন বাদে সপ্তাহের প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।  যোগ্য বেকার যুবকেরা নির্দিষ্ট শিবিরে গিয়ে আবেদন ফর্ম জমা দিতে পারবেন।  পাশাপাশি প্রকল্প বিষয়ে সমস্ত তথ্য সেই শিবির থেকে পেয়ে যাবে।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, যাঁরা ইতিমধ্যেই কোনও কলেজ বা ইউনিভার্সিটিতে স্কলারশিপ বা শিক্ষা বৃত্তি পাচ্ছেন, তাঁরাও পাবেন ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্পের টাকা।  তবে শিক্ষা বৃত্তি ছাড়া অন্য কোনও সরকারি প্রকল্পের আর্থিক সহায়তা পেলে এই প্রকল্পের অধীনে আসবে না।

উল্লেখ্য, এই প্রকল্পের আওতায় ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি মাধ্যমিক পাশ বেকার যুবকদের প্রতি মাসে ১,৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে।  তবে এই আর্থিক সহায়তা মিলবে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত। এর জন্য বরাদ্দ হয়েছে মোট ৫ হাজার কোটি টাকা।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।