নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে নতুন মোড়। দলের দুই শিবিরের বিবাদের জেরে আপাতত ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ফ্রিজ করে দিয়েছে কমিশন। ফলে আসন্ন উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির—কেউই পুরনো নাম ও প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।
তৃণমূলের সঙ্গে ‘জোড়াফুল’-এর সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। ১৯৯৮ সালে দল তৈরি হওয়ার পর থেকে এই নাম ও প্রতীকেই ভোটের ময়দানে লড়েছে তৃণমূল। দলের প্রতীকটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে আঁকা বলেও দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত। সেই চেনা প্রতীকই এবার আপাতত ভোটের ময়দানের বাইরে।
দলের নাম ও প্রতীকের দাবি নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই নির্বাচন কমিশনের কাছে দুই পক্ষের মধ্যে টানাপোড়েন চলছিল। বৃহস্পতিবার কমিশনে দুই শিবিরের বক্তব্য শোনা হয়। দু’পক্ষই নিজেদের দাবির পক্ষে নথি ও যুক্তি তুলে ধরে। তার পরেই অন্তর্বর্তী নির্দেশ জারি করে কমিশন।
কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, আজ ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার মধ্যে দুই শিবিরকে নিজেদের পছন্দের তিনটি করে নাম এবং তিনটি করে প্রতীকের তালিকা জমা দিতে হবে। নতুন নামের সঙ্গে মূল তৃণমূলের যোগসূত্র রাখা যাবে। তবে ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নামটি ব্যবহার করা যাবে না।
প্রতীকের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম। নির্বাচন কমিশনের ‘ফ্রি সিম্বল’ বা মুক্ত প্রতীকের তালিকা থেকেই তিনটি করে পছন্দ জানাতে হবে দুই পক্ষকে। পরে সেই তালিকা থেকে প্রতিটি শিবিরের জন্য একটি করে নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করবে কমিশন।
ফলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে এবার চেনা ‘জোড়াফুল’ থাকছে না। দুই শিবিরকেই নতুন নাম ও নতুন প্রতীক নিয়ে ভোটের ময়দানে নামতে হবে। কোন শিবিরের ভাগ্যে কোন নাম ও প্রতীক জোটে, এখন সেদিকেই নজর।
তবে এই সিদ্ধান্তই তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে চূড়ান্ত ফয়সালা নয়। আপাতত উপনির্বাচনের কথা মাথায় রেখে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দুই পক্ষের মধ্যে দলের নাম ও প্রতীকের অধিকার নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পরে নেওয়া হবে।

প্রিমিয়াম PVC কার্ড অর্ডার করুন
ওয়াটারপ্রুফ • টেকসই • ফাস্ট ডেলিভারি
💬 WhatsApp এ ক্লিক করুন
