উপনির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। আপাতত ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং দলের ‘ঘাসের উপর জোড়াফুল’ প্রতীক ফ্রিজ করে দিয়েছে কমিশন। ফলে আসন্ন উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও শিবিরই তৃণমূলের পুরনো নাম ও প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।
বৃহস্পতিবার রাতে কমিশনের এই অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্ত সামনে আসতেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা দুই শিবিরের বিরোধের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নিল কমিশন।
কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, দুই শিবিরকেই নতুন নাম এবং নতুন নির্বাচনি প্রতীকের জন্য তিনটি করে পছন্দ জানাতে বলা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১১টার মধ্যে সেই তালিকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের তালিকাভুক্ত অব্যবহৃত প্রতীক থেকেই দুই পক্ষকে আলাদা প্রতীক দেওয়া হবে।
এই সিদ্ধান্ত নিয়ে অবশ্য মমতা শিবিরের আপত্তি রয়েছে। তৃণমূলের তরফে কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। দলের বক্তব্য, নাম ও প্রতীক নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেও নজর রয়েছে।
অন্যদিকে কমিশনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ঋতব্রত শিবির। তাদের বক্তব্য, আপাতত দুই পক্ষকেই আলাদা নাম ও প্রতীক নিয়ে উপনির্বাচনে যেতে হবে। কমিশনের সিদ্ধান্তকে তারা নিজেদের দাবির প্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে।
তবে কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে তৃণমূলের নাম বা জোড়াফুল প্রতীক স্থায়ী ভাবে বাতিল হয়ে যাওয়া হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কমিশন জানিয়েছে, এটি অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা। দুই পক্ষের সাংগঠনিক দাবি এবং কে দলের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, সেই বিষয়ে পরবর্তী সময়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, উপনির্বাচনের ময়দানে দুই শিবির কোন নামে এবং কোন প্রতীকে লড়বে। কারণ ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর-সহ পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন উপনির্বাচনে তৃণমূলের পরিচিত নাম ও জোড়াফুল প্রতীক আপাতত থাকছে না।




প্রিমিয়াম PVC কার্ড অর্ডার করুন
ওয়াটারপ্রুফ • টেকসই • ফাস্ট ডেলিভারি
💬 WhatsApp এ ক্লিক করুন
