আজ ১ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক চিঠি দিবস। একসময় দূরে থাকা মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম ছিল চিঠি। কোনও খবর বা বার্তা জানাতে চিঠি লিখে ডাকযোগে পাঠানোর পর উত্তর পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতো দিনের পর দিন, কখনও মাসও।
তবে প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে বদলে গিয়েছে যোগাযোগের ধরন। মুঠোফোন, ইন্টারনেট, ই-মেল ও মেসেজিং অ্যাপের কারণে এখন কয়েক সেকেন্ডেই বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে বার্তা পৌঁছে যায়। ফলে হাতে লেখা চিঠির প্রচলন ক্রমশ কমেছে।
চিঠি লেখার সঙ্গে জড়িয়ে ছিল ব্যক্তিগত অনুভূতি ও স্মৃতি। পরিবারের সদস্য, বন্ধু কিংবা প্রিয়জনকে লেখা চিঠি অনেক সময় বছরের পর বছর যত্ন করে রেখে দেওয়া হতো। বাংলা সাহিত্য ও গানেও চিঠি, ডাকপিয়ন এবং চিঠির অপেক্ষা নিয়ে বহু লেখা রয়েছে।
জানা গেছে, আন্তর্জাতিক চিঠি দিবস ২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক রিচার্ড সিম্পকিন (Richard Simpkin) শুরু করেন।
তিনি ১৯৯০ এর দশকের শেষ দিক থেকে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে চিঠি লিখতেন। অনেক সময় উত্তর না পেলেও, যখন উত্তর পেতেন তখন সেটি তাঁকে অনুপ্রাণিত করত। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই চিঠি লেখার অভ্যাসকে উৎসাহিত করতে তিনি ১ সেপ্টেম্বর ‘International Letter Writing Day’ পালনের উদ্যোগ নেন।

