মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বহুবার নোবেল শান্তি পুরস্কারের স্বপ্ন দেখলেও তা পূরণ হয়নি। তবে সম্প্রতি এমনই এক তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে, ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলীয় নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো জানিয়েছেন তিনি তার নোবেল পুরস্কার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ভাগ করতে চান। ট্রাম্প সেই প্রস্তাব গ্রহণে সম্মত হয়েছেন বলে জানা গেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেও বহুবার দাবি করেছেন, তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কারের যোগ্য। তাঁর মতে, দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম আট মাসেই তিনি আটটি যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছেন। ট্রাম্প জানায়, “প্রতিটি বন্ধ হওয়া যুদ্ধের জন্য একটি করে নোবেল পাওয়া উচিত।” বহু প্রচেষ্টা এবং শান্তির বার্তাবাহক হিসেবে দাবি করেও পুরস্কার না পাওয়া ট্রাম্পের জন্য নোবেল ভাগাভাগি খুশির খবর হলেও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে নোবেল কমিটি।
ঠিক এমন সময় নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি স্পষ্ট বিবৃতিতে জানিয়ে দিয়েছে “একবার নোবেল পুরস্কার ঘোষণা হয়ে গেলে তা আর প্রত্যাহার, ভাগাভাগি বা অন্য কাউকে হস্তান্তর করা যায় না।”
বহু প্রচেষ্টা ভাগাভাগি করেও শান্তিতে নোবেল পুরস্কার নিতে পাচ্ছেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তাহলে কি ট্যাম্প নিজেকে শান্তির দূত দাবি করলেও আদৌও হয় কি এ প্রশ্ন রয়ে যায়?
উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে মার্কিন বাহিনী ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে নিজ বাসভবন থেকে অপহরণ ও গ্রেপ্তারের পর দেশটির রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন নাটকীয়তা। ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তারের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটির বিশাল তেলের ওপর ট্রাম্পের অধিকার দাবি করেছেন। যদিও বিভিন্ন মহলে মাদুরোকে গ্রেপ্তার বিষয়টি তেলের দখলদারিত্ব নেওয়ার জন্য হয়েছে বলে ফুটে উঠেছে।

