Voters’ Pledge Certificate: এটি কী? বানালে কি কোনো লাভ আছে? ভোটের সাথে এই সার্টিফিকেটের সম্পর্ক কি? জানুন বিস্তারিত

নির্বাচনের আগে ভোটারদের সচেতন করতে SVEEP উদ্যোগে দেওয়া হচ্ছে Voters’ Pledge Certificate। তবে এতে কি সত্যিই কোনো সুবিধা পাওয়া যায়? জেনে নিন পুরো বিষয়টি।

Khalek Rahaman
By
Khalek Rahaman
দীর্ঘ সাত বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ডিজিটাল মিডিয়া পেশাজীবী, যিনি অনলাইন কন্টেন্ট তৈরি, গণমাধ্যম ও তথ্যসংক্রান্ত কাজে দক্ষ। পাশাপাশি, সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প, স্কলারশিপ ও চাকরির আপডেট নিয়মিতভাবে...
3 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

২০২৬ সালের আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন আগামী ২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল – এ দুই দফায় অনুষ্ঠিত হবে। ২৯৪টি আসনের এই ভোটের ফলাফল এবং গণনা হবে ৪ মে ২০২৬ তারিখে। নির্বাচন আসলেই নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে নানা ধরনের সচেতনতা কর্মসূচি চালানো হয়।  এরই একটি অংশ হলো SVEEP (Systematic Voters’ Education and Electoral Participation)।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

সম্প্রতি অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় “Voters’ Pledge Certificate” শেয়ার করছেন।  কিন্তু অনেকের মনেই প্রশ্ন—এটি আসলে কী? বানালে কি কোনো লাভ আছে? তাহলে চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক আজকের প্রতিবেদনে। এই সার্টিফিকেট না বানালে কি ভোট দেওয়া যাবে না? নাকি ভোট দিতে গেলে এই Voters’ Pledge সার্টিফিকেট” -এর দরকার রয়েছে? চলুন আসল সত্যিটা জেনে নেওয়া যাক।

Voters’ Pledge Certificate কী?

Voters’ Pledge Certificate মূলত একটি ডিজিটাল প্রতিশ্রুতি পত্র।  এতে একজন ভোটার শপথ নেন যে—

  • তিনি প্রতিটি নির্বাচনে ভোট দেবেন
  • স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে ভোট দেবেন
  • কোনো ধর্ম, জাত, ভাষা বা প্রলোভনের প্রভাব ছাড়াই ভোট দেবেন

অর্থাৎ, এটি একটি সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালনের প্রতিশ্রুতি।

কেন এই Voters’ Pledge সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে?

এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো—

  • ভোটারদের ভোট দিতে উৎসাহিত করা
  • নতুন ভোটারদের সচেতন করা
  • “No Voter To Be Left Behind” বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া

সরকার চায়, দেশের প্রতিটি যোগ্য নাগরিক যেন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

Voters’ Pledge সার্টিফিকেট বানালে কি কোনো সুবিধা পাওয়া যায়?

  • সরাসরি কোনো আর্থিক বা সরকারি সুবিধা নেই
  • এই সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি পাওয়া যাবে না
  • কোনো টাকা বা স্কিমের সুবিধা মিলবে না
  • ভোট দেওয়ার জন্যও এটি বাধ্যতামূলক নয়
  • তবে কিছু ক্ষেত্রে awareness activity হিসেবে কাজে লাগতে পারে
  • সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে সচেতনতা বাড়ানো যায়

Voters’ Pledge সার্টিফিকেট বানানো কি বাধ্যতামূলক?

  • একেবারেই না
  • আপনি সার্টিফিকেট না নিলেও বা তৈরি করলেও আপনার ভোটাধিকার থাকবে
  • Voters’ Pledge Certificate না বানালেও কোনো আইনি সমস্যা হবে না
  • Voters’ Pledge Certificate হলো একটি সচেতনতা প্রচার অভিযান—এর মাধ্যমে নাগরিকদের দায়িত্বশীলভাবে ভোট দেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়।
  • তাই, এটি নেওয়া সম্পূর্ণ আপনার ইচ্ছা।
  • তবে একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে ভোট দেওয়া অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ।

কিভাবে Voters’ Pledge Certificate অনলাইন আবেদন করবেন ও ডাউনলোড করবেন চলুন দেখে নেওয়া যাক –

১) Voters’ Pledge Certificate তৈরি করার জন্য সর্বপ্রথম আপনাকে Voters’ Pledge এর অফিসিয়াল পোর্টালে আসতে হবে।  নিচের লিংকে ক্লিক করেও সরাসরি অফিসিয়াল পোর্টালে আসতে পারবেন।

২) এরপর হোম পেজে থাকা Tittle থেকে Mr/Ms/Smt/Dr/Sh তা সিলেক্ট করুন।  এরপর নিচে আপনার নাম উল্লেখ করুন।

৩) এরপর ডিসপ্লের মধ্যে থাকা ক্যাপচার কোডটি দেখে দেখে নিচের বক্সে উল্লেখ করে সাবমিটে ক্লিক করুন।

৪) পরবর্তী পেজে ভাষায় সিলেক্ট করুন ইংরেজি / হিন্দি। এরপর Voter’s Pledge টি পড়ে নিয়ে নিচের বক্সে টিক মার্ক করে সাবমিটে ক্লিক করুন।

৫) পরবর্তী পেজে আপনার সামনে Voters’ Pledge Certificate চলে আসবে।  এখন সার্টিফিকেটটি ডাউনলোড করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করতে পারেন।

Voters Pledge Certificate Online Apply & Download Link: Apply Now 

Share This Article
Follow:
দীর্ঘ সাত বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ডিজিটাল মিডিয়া পেশাজীবী, যিনি অনলাইন কন্টেন্ট তৈরি, গণমাধ্যম ও তথ্যসংক্রান্ত কাজে দক্ষ। পাশাপাশি, সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প, স্কলারশিপ ও চাকরির আপডেট নিয়মিতভাবে পাঠকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছেন। বর্তমানে মঙ্গলয়তন বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর অধ্যয়নরত।