আইপ্যাকের অফিস এবং কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির অভিযানকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদ জানাতে শুক্রবার সকালে দিল্লিতে অমিত শাহের দপ্তরের সামনে প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে তৃণমূল একাধিক সাংসদ বিক্ষোভ দেখান।
এরপরে পুলিশ কর্মীরা তাঁদের সেখান থেকে সরিয়ে দিলে একপর্যায়ে তৃণমূল সাংসদদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। পরে টেনেহিঁচড়ে তুলে গাড়িতে করে পার্লামেন্ট স্ট্রিট (সংসদ মার্গ) থানায় নিয়ে যায় তৃণমূল সাংসদদের।
এদিন শাহের দপ্তরের সামনে ধস্তাধস্তির সময় ডেরেক ও’ব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র, কীর্তি আজাদ, বাপি হালদার, শতাব্দী রায়, সাকেত গোখলে, প্রতিমা মণ্ডল ও শর্মিলা সরকার উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। এছাড়াও পুলিশের উদ্দেশে ডেরেক ও’ব্রায়েনকে বলতে শোনা যায়, “আমাদের সাংসদদের গায়ে হাত দেবেন না।”
প্রসঙ্গত, মূলত তৃণমূল অভিযোগ বিজেপি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে তাঁদের নির্বাচনী কৌশল এবং তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, এই সংস্থাগুলোকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে কাজে লাগানো হচ্ছে।

