উত্তরপ্রদেশের রামপুরে মাওলানা মোহাম্মদ আলি জওহর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৮টি ভবন ভাঙার নির্দেশে আপাতত স্থগিতাদেশ দিয়েছে আদালত।
এর আগে গত ১৫ জুলাই রামপুর ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (আরডিএ) বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৮টি ভবনকে অনুমতি ছাড়া নির্মিত বলে অভিযোগ তুলে ভাঙার নোটিস জারি করেছিল। এই সিদ্ধান্তের পর জামাত-ই-ইসলামী হিন্দ (JIH)-এর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পরিদর্শন করে। তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করে সংহতি প্রকাশের পাশাপাশি আজম খানের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।
আগামী ৩০ জুলাই ভাঙার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে মোরাদাবাদ বিভাগের ডিভিশনাল কমিশনারের আদালত ভাঙার নির্দেশে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলে মামলার চূড়ান্ত শুনানি না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৮টি ভবনের বিরুদ্ধে কোনও ভাঙার অভিযান চালানো যাবে না।
বর্তমানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৩,০০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। তাদের মধ্যে অনেকেই আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারের এবং বিশেষ ফি-ছাড়ের সুবিধা পেয়ে থাকেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, ভবনগুলো ভেঙে ফেলা হলে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে সংবিধানের ৩০ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে প্রতিষ্ঠানের অধিকারও প্রশ্নের মুখে পড়বে।
