★ Md 360 PVC Print Service ★

প্রিমিয়াম PVC কার্ড অর্ডার করুন

🪪 রেশন • আয়ুষ্মান • আভা • ভোটার

ওয়াটারপ্রুফ • টেকসই • ফাস্ট ডেলিভারি

💬 WhatsApp এ ক্লিক করুন

১৯৫২-র ভোটার তালিকায় পূর্বপুরুষের নাম, ২০০২-এ বাবা-মা! তবু বাংলাদেশে ‘পুশব্যাক’ মহিলার, জবাব চাইল সুপ্রিম কোর্ট

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
4 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

ভারতীয় নাগরিকত্ব কিনা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার আগেই এক মহিলাকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল? এই প্রশ্নেই এবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জবাব চাইল সুপ্রিম কোর্ট।  উত্তর ২৪ পরগনার গোবিন্দপুরের বাসিন্দা সাহিদা ফকিরকে ভারতে ফিরিয়ে আনার দাবিতে তাঁর ছেলে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মামলাটি ওঠে। শুনানির পর কেন্দ্রীয় সরকারকে নোটিস দিয়েছে আদালত। বসাহিদার ছেলের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী এস মুরলীধর।

এই মামলায় কী অভিযোগ এনেছে?
আদালতে জানানো হয়েছে, প্রায় ২০ বছর আগে স্বামীর সঙ্গে কাজের খোঁজে মুম্বইয়ে গিয়েছিলেন সাহিদা।  সেখানে তিনি বাড়িতে কাজ করতেন।  অভিযোগ, গত ১৯ জুলাই সাদা পোশাকে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের পুলিশকর্মী পরিচয় দিয়ে তাঁকে নিয়ে যান।

এরপর তাঁকে মুম্বইয়ের চেম্বুরের একটি হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয় বলে মামলায় দাবি করা হয়েছে।  সেই সময় তাঁর আধার কার্ড এবং মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ।  তবে সেই জিনিস নেওয়ার কোনও রসিদ তাঁকে দেওয়া হয়নি বলে দাবি পরিবারের।

সাহিদার ছেলের আরও অভিযোগ, তাঁর মাকে প্রায় পাঁচ দিন অর্থাৎ ১০০ ঘণ্টারও বেশি সময় আটকে রাখা হয়েছিল। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে তাঁকে কোনও ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়নি।  এমনকি পরিবারের লোকজনের সঙ্গেও যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি বলে আদালতে জানানো হয়েছে।

এছাড়াও আরও এই মামলায় দাবি করা হয়েছে, প্রায় পাঁচ দিন পর সাহিদাকে বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর তাঁকে বিমানে দেশের উত্তর-পূর্ব দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।  সেখানে আরও প্রায় ২০ জনের সঙ্গে গভীর রাতে তাঁকে সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

বাংলাদেশে পৌঁছে একটি অস্থায়ী আশ্রয়ে ছিলেন সাহিদা।  সেখান থেকে কোনও ভাবে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হন তিনি।  তখনই পরিবারের লোকজন জানতে পারেন, তাঁকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সাহিদার ছেলে আদালতে জানিয়েছেন, তাঁদের পরিবার বহু প্রজন্ম ধরে ভারতে বসবাস করছে।  তাঁদের বক্তব্যের সমর্থনে পুরনো ভোটার তালিকার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

আবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৫২ সালের ভোটার তালিকায় সাহিদার ঠাকুরদার নাম রয়েছে।  আবার ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁর বাবা এবং মায়ের নামও ছিল।

তবে সম্প্রতি রাজ্যে হওয়া SIR-এর সময় সাহিদার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ে।  এর বিরুদ্ধে তিনি আপিল ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন।  সেই আবেদন এখনও বিবেচনাধীন রয়েছে বলে আদালতকে জানানো হয়েছে।

আবেদনকারীর বক্তব্য, SIR এ ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া মানেই ওই ব্যক্তিকে বিদেশি বলে ঘোষণা করা নয়।  তাই এই বিষয়টি চূড়ান্ত ভাবে মীমাংসা হওয়ার আগেই সাহিদাকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হল কী ভাবে, সেই প্রশ্নই তোলা হয়েছে।

এই মামলায় ২০২৫ সালের ২ মে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের জারি করা একটি নির্দেশ এবং তার ভিত্তিতে তৈরি নিয়ম নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।  পাশাপাশি ২০২৫ সালের Immigration and Foreigners Order-এর কয়েকটি বিষয়ও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।

আবেদনকারী পক্ষের দাবি, কাউকে বাংলাদেশি বা বিদেশি বলে সন্দেহ হলেই সরাসরি দেশ থেকে পাঠিয়ে দেওয়া যায় না।  আগে তাঁর নাগরিকত্বের কাগজপত্র দেখার সুযোগ দিতে হবে এবং নিজের বক্তব্য জানানোর সুযোগও দিতে হবে।

আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া না মেনেই সন্দেহের ভিত্তিতে মানুষকে দেশ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে ওই নিয়মে।  এই ধরনের ব্যবস্থার ভিত্তিতেই ‘ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট’ পদ্ধতি চালানো হচ্ছে বলেও আদালতে দাবি করা হয়েছে।

★ Md 360 PVC Print Service ★

প্রিমিয়াম PVC কার্ড অর্ডার করুন

🪪 রেশন • আয়ুষ্মান • আভা • ভোটার

ওয়াটারপ্রুফ • টেকসই • ফাস্ট ডেলিভারি

💬 WhatsApp এ ক্লিক করুন
Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।