এসআইআর হিয়ারিং চলাকালীন বিডিওর ঘরে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে গেল। পুলিশের কাছে দায়ের হয়েছে এফআইআর, ইতিমধ্যে ফারাক্কার পুলিশ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানা গিয়েছে।
তবে পুরো ঘটনাটা কে ‘দুষ্কৃতীদের হামলা’ বলে দাবি করল পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-এর দফতর। এদিন পশ্চিমবঙ্গ সিইও অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডেল থেকে এমনি এক বার্তা পোস্ট করে যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, একদল দুষ্কৃতী সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি করে এবং একজন ERO এবং দুজন মাইক্রো অবজারভারকে গুরুতর আহত করেছে। ইতিমধ্যে ফারাক্কা পুলিশ স্টেশনের এফআইআর দায়ের করা হয়েছে এবং দুইজন দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
যদিও পুরো বিষয়টি ছিল বিএলওদের গণইস্তফাকে ঘিরে এদিন বিএলওদের অবস্থান বিক্ষোভে যোগ দেন তৃণমূলের বিধায়ক মণিরুল ইসলাম ও কর্মীরাও। বিডিও অফিস চত্বরে ঘোরাও করে এসআইআর প্রক্রিয়া বন্ধের দাবি তুলেন। একসময় উত্তেজনা বাড়তে থাকায় হিয়ারিং সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। বুধবার দুপুরে ফারাক্কা বিডিও অফিসে SIR এর হেয়ারিং চলাকালীন তীব্র অশান্তি সৃষ্টি হয়। তৃণমূল বিধায়কের নির্দেশে তার অনুগামীরা বিডিওর চেম্বারে ভাঙচুর চালায় বলে খবর।
উল্লেখ্য, এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে ভোটারদের হয়রানির অভিযোগে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ দানা বাঁধছিল। বিধায়ক মনিরুল ইসলাম দাবি করেন, নির্দিষ্ট একটি সম্প্রদায়ের মানুষকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। হিয়ারিংয়ে প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়া হলেও তা গ্রহণের কোনও রসিদ দেওয়া হচ্ছে না। ফলে ভবিষ্যতে অনুপস্থিত দেখিয়ে নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা করছেন ভোটাররা। এসআইআর প্রক্রিয়ায় মানুষের হয়রানির কারণেই আজ এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানান তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল ইসলাম।

