রাজ্যের সব জেলায় উন্নত চিকিৎসা পরিকাঠামো পৌঁছে দিতে এবার নড়েচড়ে বসল স্বয়ং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন এক বৈঠকে তিনি জানান কেন্দ্রের ‘কস্ট শেয়ারিং’ বা যৌথ খরচ বহনের নীতি মেনে রাজ্যের প্রতিটি জেলায় একটি করে মেডিকেল কলেজ তৈরি করা হবে, যদিও ইতিমধ্যে রাজ্যের অধিকাংশই জেলায় রয়েছে মেডিকেল কলেজ। তবে বাজ পড়েছে এই চারটি জেলা— আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং, দক্ষিণ দিনাজপুর ও পশ্চিম বর্ধমান। মেডিকেল কলেজহীন এই জেলায় এবার সেই খামতি মেটাতেই ময়দানে নামল শুভেন্দু সরকার।
এ দিন তিনি বলেন, এই চার জেলাতেই নতুন মেডিকেল কলেজ তৈরির জন্য উপযুক্ত জমির খোঁজ শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসনগুলিকে দ্রুত জমি চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জমি চূড়ান্ত হলেই সেই সবিস্তার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে ভারত সরকারের কাছে। কেন্দ্রের সবুজ সংকেত মিললেই শুরু হবে ভবন নির্মাণের কাজ।
এদিকে, রাজ্যে স্বাস্থ্য পরিষেবার মানোন্নয়নে একগুচ্ছ নতুন পদক্ষেপের ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধাননগর হাসপাতাল থেকে বিনামূল্যে সারভাইক্যাল ক্যান্সারের প্রতিষেধক টিকাকরণ কর্মসূচির সূচনা করার পাশাপাশি SSKM হাসপাতালে ১০০ শয্যার একটি নতুন ইউনিটের উদ্বোধন করেন তিনি। সরকারি হাসপাতালের অব্যবস্থা রুখতে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, হাসপাতালগুলির ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারির জন্য স্বাস্থ্য ভবনে একটি লাইভ কন্ট্রোল রুম তৈরি করা হচ্ছে। যেখানে পেশাদার কর্মীদের মাধ্যমে ডাক্তারদের উপস্থিতি, দালাল চক্র এবং হাসপাতালের সামগ্রিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করা হবে। ইতিমধ্যেই মুমূর্ষু রোগী রেফারের অভিযোগে কলকাতা মেডিক্যালের এমএসভিপি (MSVP)-র বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও স্পষ্ট করে দেন মুখ্যমন্ত্রী।
