সরকারি-বেসরকারি সব D.El.Ed কলেজে নতুন নিয়ম! বায়োমেট্রিক বাধ্যতামূলক – বায়োমেট্রিক না থাকলে বাতিল হতে পারে অধিভুক্তি

Anisa Zeba
By
Anisa Zeba
রাজনৈতিক ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে ভাবেন ও লেখেন। সমাজ, রাজনীতি এবং চলমান ঘটনাবলির উপর নজর রেখে তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ ও প্রতিবেদন তুলে ধরাই তাঁর আগ্রহ। বর্তমান সময়ের...
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ (WBBPE) NCTE-স্বীকৃত এবং WBBPE-র অধিভুক্ত সমস্ত D.El.Ed. প্রতিষ্ঠানে বায়োমেট্রিক উপস্থিতি ব্যবস্থা চালু করার বিষয়ে ১৫ জুলাই ২০২৬ একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার্স এডুকেশন (NCTE)-এর ২০১৪ সালের নিয়মাবলি অনুযায়ী, এই দুই বছরের D.El.Ed. কোর্সে নথিভুক্ত ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের থিওরি ক্লাসে ৮০ শতাংশ এবং স্কুল ইন্টার্নশিপে ৯০ শতাংশ উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।  কিন্তু নিয়ম থাকা সত্ত্বেও বহু প্রতিষ্ঠানে তা যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না।

এই কারণে ১০ জুলাই ২০১৯ সালে টিচার্স এডুকেশন ইনস্টিটিউশন (TEIs)-গুলিকে বায়োমেট্রিক উপস্থিতি ব্যবস্থা চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়।  এরপরও কিছু কিছু কলেজ সেই নির্দেশ মানেনি।  পরে চলতি বছরের ১৮ মার্চ আবারও একই নির্দেশিকা জারি করা হলেও এখনও অনেক প্রতিষ্ঠানে বায়োমেট্রিক উপস্থিতি ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে চালু হয়নি।  তাই এবার WBBPE বিষয়টি নিয়ে আরও কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কোনও প্রতিষ্ঠান বায়োমেট্রিক উপস্থিতি ব্যবস্থা চালু না করলে NCTE Act, 1993-এর Section 17 অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।  এমনকি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অধিভুক্তি প্রত্যাহারের প্রক্রিয়াও শুরু করা হতে পারে।

এছাড়াও শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মী এবং ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতির ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে।  বায়োমেট্রিক মেশিনগুলি সঠিকভাবে কাজ করছে কি না, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত নজর রাখতে হবে।

অতএব, WBBPE-র অধিভুক্ত সমস্ত D.El.Ed. প্রতিষ্ঠানকে অবিলম্বে বায়োমেট্রিক উপস্থিতি ব্যবস্থা চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানের অধিভুক্তি নবীকরণের ক্ষেত্রেও এই ব্যবস্থা সফলভাবে বাস্তবায়ন করা একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।

Share This Article
রাজনৈতিক ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে ভাবেন ও লেখেন। সমাজ, রাজনীতি এবং চলমান ঘটনাবলির উপর নজর রেখে তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ ও প্রতিবেদন তুলে ধরাই তাঁর আগ্রহ। বর্তমান সময়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি সহজ ভাষায় পাঠকদের কাছে পৌঁছে দিতে তিনি নিয়মিত লেখালেখি করেন।