★ Md 360 PVC Print Service ★

প্রিমিয়াম PVC কার্ড অর্ডার করুন

🪪 রেশন • আয়ুষ্মান • আভা • ভোটার

ওয়াটারপ্রুফ • টেকসই • ফাস্ট ডেলিভারি

💬 WhatsApp এ ক্লিক করুন

SIR-এর নোটিস খোদ নির্বাচন কমিশনারকেও! বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর, প্রাক্তন বিচারপতি, প্রবীণ আইনজীবী—তালিকায় একের পর এক পরিচিত নাম, কেন নোটিস?

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
7 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

ভোটার তালিকা নিয়ে এসআইআরের কাজ যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন নতুন নাম।  এবার সেই তালিকায় রয়েছেন দেশের একাধিক পরিচিত মানুষ।  খোদ নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু থেকে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, প্রাক্তন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, প্রবীণ আইনজীবী এবং রাজনৈতিক নেতাদের নামেও গিয়েছে নোটিস।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

কেন এই নোটিস?

ভোটার তালিকায় নাম ও তথ্যের গরমিলের কারণেই মূলত এই নোটিস পাঠানো হচ্ছে।  জানা গেছে, কোথাও ভোটারদের নিজের নামের সঙ্গে পুরনো তথ্যের মিল মিলছে না, আবার কোথাও বাবা-মায়ের নামের সঙ্গে ডকুমেন্টের অমিল রয়েছে।  এ ছাড়া, অনেকের ক্ষেত্রে বর্তমান ভোটার তথ্যের সঙ্গে আগের এসআইআর (SIR) ভোটার তালিকার কোনো মিল খুঁজে পাওয়া যায়নি।  নির্বাচন কমিশন, এই ধরনের ভোটারদের তথ্য ‘আনম্যাপড’ (Unmapped) বা ‘মিসম্যাচ’ (Mismatch) হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

এই তালিকায় খোদ নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধুর নামও রয়েছে।  শুধু তিনি একাই নন, তাঁর ছেলে এবং দুই পুত্রবধূর নামেও নোটিস পাঠানো হয়েছে।  তাঁদের ক্ষেত্রেও নিজের নামের অমিল, বাবা-মায়ের নামের অমিল কিংবা আগের এসআইআরের সঙ্গে তথ্য না মেলার মতো একই কারণ দর্শানো হয়েছে।

নোটিস পেয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং তাঁর স্ত্রী কিয়োকো সোমেকাওয়া জয়শঙ্করও।  তাঁদের ক্ষেত্রে কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, আগের এসআইআরের সঙ্গে বর্তমান ভোটার তথ্যের কোনো মিল খুঁজে পাওয়া যায়নি।  উল্লেখ্য, ২০০২ সালের এসআইআরের সময় জয়শঙ্কর বিদেশে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে কর্মরত ছিলেন।  ফলে তাঁর মতো একজন পরিচিত ব্যক্তির নামও পুরনো তালিকার সঙ্গে না মেলার বিষয়টি সামনে আসায় প্রশ্ন উঠেছে।

একইভাবে এই তালিকায় রয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি এবং সীমানা পুনর্নির্ধারণ কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারপার্সন বিচারপতি রঞ্জনা দেশাই ও তাঁর পরিবারের সদস্যরাও।  তাঁদের ক্ষেত্রেও নোটিসে আগের এসআইআরের সঙ্গে ভোটার তথ্যের মিল না পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

নোটিসের তালিকায় প্রবীণ আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী ইন্দিরা জয়শিং এবং আনন্দ গ্রোভারের নামও রয়েছে।  তাঁদের ক্ষেত্রেও একই কারণ দর্শানো হয়েছে—আগের এসআইআরের (SIR) সঙ্গে বর্তমান তথ্যের কোনো মিল পাওয়া যায়নি।  এই বিষয়টি নিয়ে ইন্দিরা জয়শিং নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন তুলে টুইট করেছেন,

তাঁরা কি দেশের নাগরিক নন? তাঁদের কি ভোট দেওয়ার অধিকার নেই?

অন্যদিকে, প্রাক্তন বিজেপির আইটি‌ সেলের নেতা অমিত মালব্য এবং তাঁর স্ত্রী গৌরী মালব্যের নামও এই নোটিসের তালিকায় রয়েছে।  অমিত মালব্যের ক্ষেত্রে আগের এসআইআরের সঙ্গে তথ্যের মিল না থাকা এবং নিজের নামের বানানে অসঙ্গতি এই দুই ধরনের ত্রুটির কথা নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে।

নোটিস পেলেই কি নাম বাদ যাবে?

এই ঘটনা সামনে আসার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, নোটিস পেলেই কি ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাবে? নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য অনুসারে, বিষয়টি তেমন নয়।  নোটিস পাওয়ার অর্থ কারও নাম ভোটার তালিকা থেকে কেটে দেওয়া নয়।  মূলত ভোটারদের তথ্যের কোথাও অমিল রয়েছে কি না, তা যাচাই করতেই এই নোটিস দেওয়া হচ্ছে। কমিশন আরও জানান, কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে,

“কোনো যোগ্য নাগরিক যেন ভোটার তালিকা থেকে বাদ না পড়েন এবং কোনো অযোগ্য ব্যক্তি যেন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হতে পারেন।”

এর আগে দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়াল এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামেও এসআইআরের (SIR) নোটিস যাওয়ার খবর সামনে এসেছিল।  কেজরীওয়াল ছাড়াও তাঁর স্ত্রী সুনীতা, ছেলে পুলকিত, বাবা গোবিন্দ রাম এবং মা গীতা দেবীর কাছেও নোটিস গিয়েছিল।  কেজরীওয়াল পরিবার নয়াদিল্লি বিধানসভা मतदारसंघाের ভোটার।  তাঁদের যে বুথে ভোট দেওয়ার কথা, সেই বুথের মোট ১১০ জন ভোটারকেই নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।  এসআইআরের সময় গোটা কেজরীওয়াল পরিবারকে ‘আনম্যাপড’ (Unmapped) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।  অর্থাৎ, তাঁদের বর্তমান ভোটার তথ্যের সঙ্গে আগের এসআইআরের তথ্যের কোনো মিল খুঁজে পাওয়া যায়নি।

শুধু কেজরীওয়াল পরিবার নয়, আরও বেশ কয়েকজন পরিচিত ব্যক্তির কাছেও একই ধরনের নোটিস গিয়েছে।  প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় ও তাঁর স্ত্রী সুদেশ ধনখড়, সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি মদন লোকুর, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল এবং তাঁর স্ত্রী প্রমীলা সিব্বলের নামও সেই তালিকায় রয়েছে।  দিল্লি বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেব, তাঁর স্ত্রী এবং ভাইয়ের কাছেও নোটিস যাওয়ার খবর প্রকাশ্যে এসেছে।  তাঁদের জমা দেওয়া নথিতে অসংগতি পাওয়া গিয়েছে বলেই এই নোটিস পাঠানো হয়েছে।

এর মধ্যেই সামনে আসে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তের নামের বিষয়টিও।  শালিমার বাগ বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার রেখা গুপ্তকে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’ বা তথ্যগত অসংগতির কারণে নোটিস দেওয়া হয়েছিল।  নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তাঁর সঙ্গে মা-বাবার বয়সের ব্যবধান ১৫ বছরের কম দেখানো হয়েছিল।  পরে আধিকারিকেরা তাঁর নথিপত্র যাচাই করেন। সেই যাচাইয়ের পর তাঁর তথ্য ঠিক রয়েছে বলে জানানো হয়।  চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় তাঁর নাম রাখার বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়েছে।

এসআইআরের সময় দিল্লিতে মোট ৩৩ লাখ ১২ হাজার ৯১৯ জন ভোটারের তথ্য যাচাইয়ের জন্য নোটিসের আওতায় এসেছে।  এর মধ্যে ১৩ লাখ ৭৯ হাজার ৭৮৫ জনের নাম আগের এসআইআরের ভোটার তালিকার সঙ্গে মেলানো যায়নি।  তাঁদের ‘নো ম্যাপিং’ বা ‘আনম্যাপড’ বিভাগে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে ১৯ লাখ ৩৩ হাজার ১৩৪ জনের ক্ষেত্রে নাম, বয়স, বাবা-মায়ের নাম বা অন্যান্য তথ্যের মধ্যে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’ বা তথ্যগত অসংগতি ধরা পড়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তরফেও স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, নোটিস পাওয়া মানেই ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া নয়। যথাযথ শুনানি ও যাচাইয়ের সুযোগ না দিয়ে কোনও নাম বাদ দেওয়া যাবে না।  নোটিসের জবাব ও নথি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৯ অক্টোবর। আর দিল্লির চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের নির্ধারিত তারিখ ৪ নভেম্বর।

উল্লেখ্য যে, তবে নোটিস পেয়েছেন মানেই প্রত্যেককে শুনানিকেন্দ্রে গিয়ে হাজির হতে হবে—বিষয়টি এমন নয়।  বিশেষ করে পরিচিত বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন আলাদা ব্যবস্থা করছে।  ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার বা ইআরও-রা এমন ব্যক্তিদের জন্য আলাদা তালিকা তৈরি করছেন।  সেই তালিকা অনুযায়ী বুথ স্তরের আধিকারিক বা বিএলও-দের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিবন্ধিত ঠিকানায় পাঠানো হচ্ছে।  বিএলও-রা সেখানে গিয়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সরাসরি দেখে যাচাই করছেন।  অর্থাৎ, নথি যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সব সময় অফিসে বা শুনানিকেন্দ্রে যেতে হচ্ছে না।

শুধু পরিচিত ব্যক্তিদের জন্যই নয়, সাধারণ ভোটারদের জন্যও কিছুটা সহজ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।  নোটিসে দেওয়া কিউআর কোড স্ক্যান করে অনলাইনে প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়া যায়।  এরপর বিএলও সেই নথির সত্যতা যাচাই করতে ভোটারের বাড়িতেও যেতে পারেন।  ফলে নোটিস পাওয়ার পর শুধু শুনানিকেন্দ্রে গিয়ে হাজির হওয়াই একমাত্র পথ নয়।

★ Md 360 PVC Print Service ★

প্রিমিয়াম PVC কার্ড অর্ডার করুন

🪪 রেশন • আয়ুষ্মান • আভা • ভোটার

ওয়াটারপ্রুফ • টেকসই • ফাস্ট ডেলিভারি

💬 WhatsApp এ ক্লিক করুন
Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।