সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্যের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিষেকের কড়া চিঠি, পরক্ষণেই CEO দফতরের জবাব

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকার স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) নিয়ে রাজ্য রাজনীতি একেবারে ফুঁসছে।  শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুর থেকে কলকাতার এসপ্ল্যানেড মেট্রো চ্যানেলে (ধর্মতলা) অনির্দিষ্টকালের ধর্নায় বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  একই দিনে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ও রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালকে চিঠি লিখে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্যের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

এছাড়াও এদিন জানান, প্রতিদিন সাপ্লিমেন্টারি ভোটার লিস্ট প্রকাশ করা হোক। কারণ হিসেবে বলেন? ২৮ ফেব্রুয়ারি ফাইনাল ভোটার লিস্ট বের হওয়ার পরও অনেকের নাম নিয়ে ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ দেখা গিয়েছে।  সেই সব কেসের বিচার চলছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, যাদের নাম নিয়ে মামলা চলছে তাদের নাম পরে সাপ্লিমেন্টারি লিস্টে যোগ হওয়ার কথা—কিন্তু অভিষেকের অভিযোগ, সেই প্রক্রিয়ায় যথেষ্ট স্বচ্ছতা নেই।  সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ এ বলা হয়েছে প্রতিদিন সাপ্লিমেন্টারি ভোটার লিস্ট প্রকাশ করা হোক, যাতে যাচাইয়ের ফলাফল স্পষ্ট হয় বলে দাবি অভিষেকের।  এছাড়া ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’ বা অসঙ্গতির কারণে নাম বাদ দেওয়া হলে তার যুক্তিসংগত কারণ জানাতে হবে।

সব সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আনতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ নিজের নামের অবস্থা জানতে পারেন।  এমনকি নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের নাম নিয়েও বিতর্ক উঠেছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করেন।

এদিকে অভিষেকের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের CEO দফতর থেকে পাল্টা বক্তব্য এসেছে।  CEO মনোজ আগরওয়ালের দফতরের তরফে জানানো হয়েছে—পুরো SIR প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়েছে।  দফতরের বক্তব্য অনুসারে, ফর্ম-৭-এর মাধ্যমে ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাওয়া নামের সংখ্যার মধ্যে বেশিরভাগই অটো-জেনারেটেড। এগুলো তৈরি হয় যখন এনুমারেশন ফর্ম যাচাই করে দেখা যায় যে ওই ব্যক্তি চূড়ান্ত ভোটার তালিকার জন্য যোগ্য নন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারির তথ্য অনুসারে, এমন অটো-জেনারেটেড ডিলিশনের সংখ্যা ৫,৩৮,৩২০।  এছাড়া সাধারণ আবেদনের মাধ্যমে ( Form 7) বাদ দেওয়া হয়েছে মাত্র ৭,৭৩৩ জনের নাম।  অর্থাৎ, বেশিরভাগ কাটাকাটি স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়ার ফল, কোনো ইচ্ছাকৃত বা অবৈধ ভাবে হয়নি ।

 

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।