শূন্য বা নেগেটিভ নম্বর পেলেও এমডি-এমএস, পিজি ডিপ্লোমা, পোস্ট এমবিবিএস ডিএনবি পড়ার সুযোগ!

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

শূন্য পেয়েও ডাক্তারি! হ্যাঁ, এমনটাই ঘটতে চলছে আমাদের দেশের চিকিৎসা শিক্ষা ক্ষেত্রে।  একটা সময় ছিল, ডাক্তার পরিচয়টাই মানুষের চোখে আলাদা মর্যাদা এনে দিত।  মনে করা হতো, এই পেশায় পৌঁছনোর আগে অসংখ্য কঠিন স্তর পেরোতে হয় যার জন্য মেধা, অধ্যবসায় আর দায়িত্ববোধের কঠিন পরীক্ষা দিতে হয় বারবার।  এবার ঠিক উলটো চিত্র সামনে আসতে চলছে, নিট পিজি পরীক্ষায় শূন্য বা নেগেটিভ পাওয়া এমবিবিএস ডাক্তাররা পড়তে পারবে চিকিৎসা পেশার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তথা‌ এমডি, এমএস, পিজি ডিপ্লোমা কিংবা পোস্ট এমবিবিএস ডিএনবি তে।  সোমবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

এ যদি হয় চিকিৎসা শিক্ষার মান, তাহলে আগামীতে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসা সেবায় যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, তা ভাবলেই ভয় লাগে।  কেন্দ্র সরকার অবশ্য যুক্তি দিয়েছেন দেশে বিপুল সংখ্যক স্নাতকোত্তর মেডিক্যাল আসন ফাঁকা পড়ে থাকছে, অথচ হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকের তীব্র সংকটে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, জেনারেল ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া শ্রেণির প্রার্থীদের ক্ষেত্রে যোগ্যতার সীমা ৫০ পারসেন্টাইল থেকে নামিয়ে আনা হয়েছে মাত্র ৭ পারসেন্টাইলে।  অসংরক্ষিত বিশেষভাবে সক্ষম প্রার্থীদের জন্য সেই সীমা ৫ পারসেন্টাইল।  আর সংরক্ষিত শ্রেণি এস সি , এস টি ও ওবিসি প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৪০ পারসেন্টাইল কমিয়ে আনা হয়েছে ০। অর্থাৎ নেগেটিভ স্কোর থাকলেও স্নাতকোত্তরে ভর্তির পথ খুলে যাচ্ছে সেসকল নিট পিজি পরীক্ষার্থীদের।  চলতি বছরে প্রায় ২.৪ লক্ষ পরীক্ষার্থী নিট পিজি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও দ্বিতীয় রাউন্ড কাউন্সেলিংয়ের পরও প্রায় ৯ হাজার আসন ফাঁকা থেকে যায়। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে এনবিইএমএস।

চিকিৎসাক মহলে এতিমধ্যে আলোড়ন পড়ে গেছে এর ফলে চিকিৎসকদের যে মান ছিল তা আর থাকবে না।  যার ফলে মেধা, চিকিৎসকদের মান সব কিছুই ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে চলেছে।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে হিন্দুত্ববাদীদের বিক্ষোভের মুখে গতকাল মঙ্গলবার জম্মুতে শ্রী মাতা বৈষ্ণ দেবী মেডিকেল কলেজের স্বীকৃতি বাতিল করেছে দেশটির ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশন (এনএমসি)।  লাইসেন্স বাতিলের কারণ উল্লেখ করে এনএমসি বিবৃতি দেয়, এমবিবিএস কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যে ন্যূনতম মানদণ্ড থাকার কথা, সেখানে গুরুতর ঘাটতি আছে মেডিকেল কলেজটিতে।  একদিকে মানদন্ড মান নিয়ে কলেজ লাইন্সেস বাতিল করছে অপরদিকে উল্টোটা বলে চিকিৎসা শিক্ষার বেহাল দশায় রাখতে চলছে।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।