উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই ভেঙে পড়ল পর্যটকবাহী বিমান, পেরুতে প্রাণ গেল ১৩ জনের

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
চিত্রঃ সংগৃহীত
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

পেরুর জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র নাজকা লাইনস পরিদর্শনে যাওয়ার পথে একটি ছোট পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।  নিহতদের মধ্যে ১১ জন বিদেশি পর্যটক এবং দুইজন ক্রু সদস্য।  দুর্ঘটনার পর বিমানে থাকা কারও প্রাণ রক্ষা সম্ভব হয়নি।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

স্থানীয় সময় শনিবার দুপুরে পেরুর ইকা অঞ্চলের পিসকো বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।  প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ার পর আগুন ধরে যায়।  পরে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে সকলের মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ কর্মকর্তা হোর্হে আন্দ্রেদে জানান, দুর্ঘটনাটি অত্যন্ত ভয়াবহ ছিল এবং বিমানে থাকা সবাই ঘটনাস্থলেই মারা যান। কী কারণে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।  বিষয়টি তদন্ত করছে পেরুর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।

পেরুর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নিহত ১১ পর্যটকের মধ্যে সাতজন ইতালির, দুজন জার্মানির এবং দুজন স্পেনের নাগরিক ছিলেন।  বিমানটি পরিচালনা করছিল পর্যটন সংস্থা অ্যারোডিয়ানা, যারা নিয়মিত নাজকা লাইনস দেখার জন্য দর্শনীয় ফ্লাইট পরিচালনা করে।

নাজকা লাইনস পেরুর মরুভূমিতে খোদাই করা বিশাল জ্যামিতিক নকশা ও বিভিন্ন প্রাণীর আকৃতির জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।  ইউনেস্কো ঘোষিত এই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানটি আকাশ থেকে সবচেয়ে ভালো দেখা যায়।  তাই প্রতি বছর হাজার হাজার দেশি-বিদেশি পর্যটক ছোট বিমানে করে এই ঐতিহাসিক নিদর্শন দেখতে যান।

উল্লেখ্য, নাজকা লাইনস এলাকায় এর আগেও একাধিক বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে।  ২০২২ সালে একটি পর্যটকবাহী বিমান দুর্ঘটনায় সাতজন এবং ২০১০ সালে আরেকটি দুর্ঘটনায় ছয়জনের মৃত্যু হয়েছিল।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।