ধর্মীয় ভাতা বন্ধ করে চালু হলো ‘বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ’, কারা পাবেন জানুন

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

কলকাতার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা মঞ্চ থেকে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থায় এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।  রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যসহ উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের উপস্থিতিতে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাজ্যে আর কোনো ধর্মীয় ভাতা দেওয়া হবে না। ক্যাবিনেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সমস্ত ধর্মীয় ভাতা বন্ধ করে সেই অর্থ সরাসরি ব্যয় করা হবে ‘বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ’ যোজনায়।  মূল লক্ষ্য একটাই অর্থের অভাব যেন কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষা বা আধুনিক শিক্ষালাভের পথে পাঁচিল হয়ে না দাঁড়ায়।  এই মহৎ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই রাজ্য সরকার শিক্ষাঙ্গনে এই বড়সড় রদবদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

কারা পাবেন এই স্কলারশিপ এবং কীভাবে আবেদন করবেন?

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, এই বৃত্তির ক্ষেত্রে ধর্ম, জাতি বা রাজনৈতিক পরিচয়কে কোনোভাবেই গুরুত্ব দেওয়া হবে না। এর একমাত্র মাপকাঠি হবে শিক্ষার্থীর মেধা এবং পরিবারের আর্থিক অনগ্রসরতা।  অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল ও যোগ্য যেকোনো ছাত্র-ছাত্রী এই স্কলারশিপের সুবিধা পাবেন।  প্রকল্পের সুবিধা পেতে এবং বিস্তারিত জানতে যোগ্য শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের সরাসরি শিক্ষা দপ্তর অথবা মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে (CMO) যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

বৃত্তির ঘোষণার পাশাপাশি রাজ্যের সরকারি শিক্ষা পরিকাঠামোকে সম্পূর্ণ বদলে ফেলার বার্তা দিয়েছে প্রশাসন।  রাজ্য এখন সরাসরি জাতীয় শিক্ষানীতির (NEP) আওতাভুক্ত হচ্ছে।  বেসরকারি স্কুলের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় সরকারি স্কুলের পড়ুয়ারা যাতে কোনো অংশে পিছিয়ে না পড়ে, সেজন্য প্রতিটি ব্লকে অন্তত একটি করে স্কুলকে ‘পিএম শ্রী’ প্রকল্পের অধীনে আনা হবে।  সেখানে গড়ে তোলা হবে স্মার্ট ক্লাসরুম, আধুনিক ল্যাবরেটরি ও উন্নত লাইব্রেরি।  একই সাথে বেসরকারি স্কুলগুলোর ভর্তি ও মূল্যায়ন পদ্ধতিতে নজরদারি চালানো এবং শিক্ষাঙ্গনকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে স্বশাসন দেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে বর্তমান সরকার।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।