★ Md 360 PVC Print Service ★

প্রিমিয়াম PVC কার্ড অর্ডার করুন

🪪 রেশন • আয়ুষ্মান • আভা • ভোটার

ওয়াটারপ্রুফ • টেকসই • ফাস্ট ডেলিভারি

💬 WhatsApp এ ক্লিক করুন

৫৭ লক্ষের নিষ্পত্তি সম্পন্ন, বাকি মাত্র তিন! কেন কাটা গেল হাজার হাজার নাম? ট্রাইব্যুনালে গেলেই কি মিলবে সুরাহা?

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
4 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন বা বিবেচনাধীন ৬০ লক্ষের মধ্যে ৫৭ লক্ষ ভোটারের নিষ্পত্তির কাজ শেষ করে দশম সাপ্লিমেন্টারি বা অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন।  কিন্তু প্রশ্ন উঠছে অন্য জায়গায় যাঁদের নাম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা থেকে বাদ গেল বা ‘ডিলিট’ হলো, তাঁদের কেন বাদ দেওয়া হলো? সেই ব্যাখ্যা কি আদৌ মিলবে?

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

মূলত, এসআইআর‌ (SIR) বা বিশেষ নিবিড় সংশোধনের প্রক্রিয়া হলো একটি স্বচ্ছ ও ত্রুটিমুক্ত ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা।  তবে এই প্রক্রিয়ার মূল বিষয় হলো তালিকায় থাকা ভোটারদের ফিজিক্যাল অস্তিত্ব আছে কি না তা যাচাই করা। অর্থাৎ, সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় ওই ভোটার আদতে বসবাস করছেন কি না এবং তিনি জীবিত কি না, তা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা।  তবে নিয়ম অনুযায়ী, কোনও ভোটার যদি তাঁর উল্লেখিত ঠিকানায় বহাল থাকেন এবং জীবিত হন, তবে নতুন তালিকাতেও তাঁর নাম থাকবে।

কারণ, তিনি বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত নথিপত্র বা ডকুমেন্টস জমা দিয়েই ভোটার তালিকায় নিজের নাম তুলেছিলেন।  তবে বর্তমানে কমিশনের মূল লক্ষ্য হলো যাঁরা অনেক দিন আগেই ঠিকানা বদলে ফেলেছেন অথবা যাঁদের নাম ভুলবশত একাধিক বুথে বা কেন্দ্রে রয়ে গিয়েছে, তাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া।  মূলত এই ধরণের অসংগতি দূর করে একটি স্বচ্ছ ও নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রকাশ করা।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ার একটি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল।  তবে সেই লিস্টে সবাই স্থান পায়নি; অনেকের নামের পাশেই লেখা ছিল ‘বিবেচনাধীন’ বা আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন (Under Adjudication)।  এই সমস্যার সমাধানের জন্যই কমিশন সংশ্লিষ্ট ভোটারদের সশরীরে শুনানিতে (Hearing) ডেকে পাঠায়।  সেখানে ভোটারদের দেওয়া তথ্য ও নথিপত্র বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা খতিয়ে দেখছেন।  এই যাচাই-বাছাইয়ের পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে এবং যোগ্য ভোটারদের নাম নিয়ে ধাপে ধাপে সাপ্লিমেন্টারি বা অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করছে কমিশন।  সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশের পর‌ও বাদ ভোটারদের একাংশের নাম।  যদিও সাপ্লিমেন্টারি তালিকা থেকে ভোটারদের নাম বাদ পড়লে, তাঁদের জন্য ইতিমধ্যে আদালতের নির্দেশে ট্রাইবুনাল গঠন করেছে কমিশন।

তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন, কমিশনের এই এস‌আইআর এর ফলে কোনও ‘জেনুইন’ বা প্রকৃত ভোটার যদি তাঁর ভোটাধিকার হারান, তবে কি ট্রাইব্যুনালে আপিল করে আদৌ রেহাই মিলবে? সাধারণ মানুষের এই আশঙ্কা মেটাতে কমিশন ২৩টি জেলার মধ্যে ১৯টি বিশেষ অ্যাপেলেট ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছে।  যদি কোনও বৈধ ভোটারের নাম ভুলবশত বা কেবল যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বাদ পড়ে যায়, তিনি কি প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে এই ট্রাইব্যুনালে আবেদন করলেই মিলবে কি সুরাহা।

তবে এ প্রক্রিয়ায়‌ও প্রশ্ন উঠছে মানুষের মনে প্রশ্ন, সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি কি কেবল বিচারকদের সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে? কারণ, ইতিমধ্যে বিবেচনাধীন ভোটারদের নিষ্পত্তি হওয়ার পর যে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, তাতে দেখা গিয়েছে প্রয়োজনীয় নথি বা ডকুমেন্টস জমা দেওয়ার পরেও অনেক ভোটারের নাম বাদ বা ‘ডিলিট’ করা হয়েছে।  যদিও কেন এবং কোন যুক্তিতে এই নামগুলো বাদ গেল, সেই বিষয়ে এখনও কমিশনের তরফে স্পষ্ট কোনও ব্যাখ্যা মেলেনি।

প্রসঙ্গত, এই এসআইআর এর ফলে লাখ লাখ ভোটারদের নাম ডিলেট বা বাদ ঘিরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে উত্তেজনাও ছড়িয়েছে।  বিশেষ করে মালদহ সহ কিছু জেলায় ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে পর্যালোচনাকারী আধিকারিকদের।  জানা গেছে, ৭ এপ্রিলের মধ্যেই সমস্ত আপত্তির নিষ্পত্তি হয়ে যাবে।

★ Md 360 PVC Print Service ★

প্রিমিয়াম PVC কার্ড অর্ডার করুন

🪪 রেশন • আয়ুষ্মান • আভা • ভোটার

ওয়াটারপ্রুফ • টেকসই • ফাস্ট ডেলিভারি

💬 WhatsApp এ ক্লিক করুন
Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।