আর থাকছে না জেড প্লাস ও পাইলট কার; একজন সাধারণ সাংসদ হিসেবেই নিরাপত্তা পাবেন অভিষেক

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

রাজ্যের সরকার পরিবর্তনের পর এবার বড়সড় রদবদল করা হলো তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায়।  সোমবার নবান্ন থেকে জানানো হয়েছে, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য দীর্ঘ এক দশক ধরে বরাদ্দ থাকা ‘জেড প্লাস’ (Z+) ক্যাটাগরির নিরাপত্তা এবং বিশেষ পাইলট কারের সুবিধা আর থাকছে না।  এখন থেকে তিনি একজন সাধারণ সাংসদ হিসেবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের গাইডলাইন অনুযায়ী যেটুকু নিরাপত্তা পাওয়ার যোগ্য, ঠিক সেটুকুই পাবেন।  অর্থাৎ, তাঁর বিশাল নিরাপত্তা বহর থেকে রাজ্য পুলিশের একটি বড় অংশ সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কড়া মনোভাব স্পষ্ট ধরা পড়েছে।  সোমবার নবান্নে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের নিয়ে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন যে, স্রেফ নিজের পদমর্যাদা বা ‘স্ট্যাটাস’ দেখানোর জন্য সরকারি অর্থের অপচয় আর বরদাস্ত করা হবে না।  কোনো রাজনৈতিক নেতার ওপর যদি নির্দিষ্ট কোনো হামলার আশঙ্কা না থাকে, তবে জনগণের দেওয়া করের টাকায় অহেতুক নিরাপত্তার বহর বাড়ানোর প্রয়োজন নেই বলেই তিনি মনে করেন।  প্রশাসনের এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপে সাধারণ মানুষ মনে করছেন যে, রাজ্যে চলে আসা দীর্ঘদিনের ‘ভিআইপি কালচার’ বা ভিআইপি সংস্কৃতির অবসান ঘটতে চলেছে।

ইতিমধ্যেই অভিষেকের বাড়ি ও অফিসের সামনে থেকে পুলিশের মেটাল ডিটেক্টর, স্ক্যানার এবং স্থায়ী পুলিশ পোস্ট সরিয়ে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।  এতদিন তাঁর কনভয় যাতায়াতের সময় সাধারণ মানুষের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার যে ছবি দেখা যেত, সেই ভোগান্তিও আর থাকবে না।  নবান্ন সূত্রে জানানো হয়েছে, ধাপে ধাপে এই অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী তুলে নেওয়া হবে এবং সম্পূর্ণ নিয়ম মেনেই নতুন এই প্রশাসনিক নির্দেশিকা কার্যকর করা হবে।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।