আইনজীবীর পোশাকে হাইকোর্টে সওয়াল করতে হাজির মমতা!

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

হারলেও পিছু হটার পাত্রী নন তিনি নির্বাচনের রেজাল্ট প্রকাশের পর এই বার্তাই দিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  বৃহস্পতিবার সকালে নিজের সেই কথাকেই বাস্তবে রূপ দিলেন তিনি।  রাজনীতির লড়াই থেকে সাময়িক বিরতি নিয়ে পেশাদার আইনজীবীর পোশাকে কলকাতা হাইকোর্টে হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।  দীর্ঘ সময় পর কালো কোট আর শামলা পরে তাঁর এই ‘আইনজীবী অবতার‘ দেখে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গেছে আদালত চত্বরে।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

এদিন সকাল ১১টার ঠিক আগেই হাইকোর্ট চত্বরে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  জানা গেছে, কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচির জন্য নয়, বরং সরাসরি মামলার সওয়াল করতেই তাঁর এই উপস্থিতি।  ভোট-পরবর্তী অশান্তির অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা করেছিলেন আইনজীবী শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়।  প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে আজ সেই মামলারই শুনানি ছিল।  আর এই মামলাতেই সওয়াল করার জন্য আজ এজলাসে উপস্থিত হয়েছেন খোদ মমতা।

রাজনীতিতে আসার আগে থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন পেশাদার আইনজীবী হিসেবে পরিচিত।  এর আগে দিল্লি সফরে গিয়ে সুপ্রিম কোর্টে ভোটার তালিকা সংশোধন সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতেও তিনি অংশ নিয়েছিলেন।  সেই সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে দাঁড়িয়ে সওয়াল করেছিলেন তিনি।  তবে এবার নিজের রাজ্যেই নির্বাচনের ঠিক পরে, ভোট-পরবর্তী অশান্তির মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে তাঁর সওয়াল করা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আইনজ্ঞ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এদিন এবিষয়ে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্টে বলেন, আমাদের মাননীয়া চেয়ারপার্সন শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ ব্যক্তিগতভাবে কলকাতা হাইকোর্টে উপস্থিত হয়ে বাংলাজুড়ে বিজেপির ছড়িয়ে দেওয়া ভোট-পরবর্তী হিংসা সংক্রান্ত মামলায় সওয়াল করলেন।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।