প্রকাশ্যে গো-হত্যা রুখতে কড়া রাজ্য প্রশাসন, কি নিয়ম জানুন? অমান্য করলে ৬ মাসের জেল

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার এবার রাজ্যে পশু হত্যা ও বলি নিয়ে অত্যন্ত কড়া অবস্থান গ্রহণ করল।  গত ১৩ মে স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতর থেকে জারি করা এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এখন থেকে যত্রতত্র বা প্রকাশ্যে গরু, বলদ বা মোষ বলি দেওয়া যাবে না।  ১৯৫০ সালের ‘পশ্চিমবঙ্গ পশু হত্যা নিয়ন্ত্রণ আইন’ এবং উচ্চ আদালতের বিভিন্ন নির্দেশিকার ওপর ভিত্তি করেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

কী নিয়ম জানুন?

এখন থেকে রাস্তাঘাট, মোড় বা জনসমক্ষে কোনোভাবেই গরু, ষাঁড় বা মোষ বলি দেওয়া যাবে না। এটি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।  এছাড়াও আপনি চাইলেই কোনো পশু বলি দিতে পারবেন না।  তার জন্য আগে অনুমতি নিতে হবে।   এই অনুমতি দেবেন আপনার পৌরসভার চেয়ারম্যান বা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং একজন সরকারি পশু চিকিৎসক।  দুজনে মিলে লিখিতভাবে সম্মতি দিলে তবেই সেই পশুকে বলির যোগ্য বলে গণ্য করা হবে।

পাশাপশি, যেকোনো পশুকে বলি দেওয়া যাবে না।  নির্দেশিকা অনুযায়ী, পশুর বয়স কমপক্ষে ১৪ বছরের বেশি হতে হবে।  অথবা যদি কোনো পশু বার্ধক্য, বড় কোনো চোট বা দুরারোগ্য ব্যাধির কারণে চিরতরে অক্ষম হয়ে পড়ে, তবেই তাকে বলির জন্য বেছে নেওয়া যাবে।

আপনি যদি বলি দেওয়ার জন্য সার্টিফিকেট বা লাইসেন্স পান তাহলে পশুটিকে শুধুমাত্র সরকার স্বীকৃত কসাইখানা বা স্থানীয় প্রশাসন নির্ধারিত জায়গাতেই নিয়ে গিয়ে বলি দিতে হবে।  এর বাইরে অন্য কোথাও এই কাজ করা যাবে না, করলে সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত জেল হতে পারে।  এছাড়া ১,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা জেল-জরিমানা উভয়ই হতে পারে।

প্রসঙ্গত, বিজেপি শাসিত অন্যান্য রাজ্যের মতো বাংলাতেও এখন থেকে গো-হত্যা ও পশু নিধনের ক্ষেত্রে কঠোর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।