সীমান্তে জমি দিয়েছি, ইমাম-মুয়াজ্জিন ভাতা বন্ধ করেছি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর মুখে একের পর এক পদক্ষেপের দাবি

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
3 Min Read
Suvendu Adhikari Chief Minister of West Bengal
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

বাঁকুড়ায় সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান, নিয়োগ, ধর্মান্তর এবং অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে একাধিক মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।  তাঁর দাবি, রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করা হয়েছে।  একইসঙ্গে আরও কয়েকটি কাজ বাকি রয়েছে বলেও জানান তিনি।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

সীমান্ত নিরাপত্তার প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সীমান্তের বিস্তীর্ণ এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য জমির প্রয়োজন ছিল।  জমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে সেই কাজ আটকে ছিল।  তাঁর দাবি, বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিএসএফকে প্রয়োজনীয় জমির বড় অংশ দেওয়া হয়েছে।

নিজ সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের তালিকা তুলে ধরে শুভেন্দু বলেন, সীমান্তে জমি দেওয়া হয়েছে, ওবিসির ‘অবৈধ’ তালিকা বাতিল করা হয়েছে এবং ইমাম-মুয়াজ্জিন ভাতা বন্ধ করা হয়েছে।  গোরক্ষার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি। মহরমের সময় অস্ত্র প্রদর্শন নিয়েও তাঁর সরকারের অবস্থানের কথা জানান।

এরপর অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বা ইউসিসি প্রসঙ্গে বড় দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।  তাঁর বক্তব্য, খুব শীঘ্রই রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করা হবে।  একইসঙ্গে ‘এক দেশ, এক প্রধান, এক রাজ্য, এক মুখ্যমন্ত্রী, এক আইন’ এই বক্তব্যও তুলে ধরেন তিনি।  তাঁর দাবি, আইনের চোখে সকলেই সমান।

তবে এখানেই কাজ শেষ নয় বলেও জানান শুভেন্দু। তাঁর কথায়, ধর্মান্তর এবং জমি কেনাবেচা সংক্রান্ত বিষয়েও নতুন আইন আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

রাজ্যে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন শুভেন্দু।  পিএসসির চেয়ারম্যান হিসেবে অনিল ভার্মাকে নিয়োগের প্রসঙ্গ তুলে তিনি প্রশ্ন করেন, তাঁর নাম শুনেই কি দুর্নীতির কোনও সুযোগ থাকবে বলে মনে হয়?
এসএসসিকে রাজনীতিমুক্ত করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।  পিএসসি এবং এসএসসিকে স্বায়ত্তশাসন দেওয়া হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।  তাঁর বক্তব্য, সরকারের কাজ হল মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া, নতুন চাকরির পদ তৈরি করা এবং অর্থ দফতরের অনুমোদন দেওয়া।  নিয়োগ প্রক্রিয়ার বাকি কাজ সংশ্লিষ্ট কমিশনগুলির।

নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে শেষ হওয়ার পর চাকরিপ্রাপকদের হাতে নিজেরাই নিয়োগপত্র তুলে দিতে চান বলেও জানান শুভেন্দু।  তাঁর দাবি, নিয়োগ হবে মেধার ভিত্তিতে।

SIR এ নাম বাদ পড়া ব্যক্তিদের প্রসঙ্গেও প্রশ্ন করা হয় মুখ্যমন্ত্রীকে।  তিনি জানান, যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁরা নিয়ম মেনে আবেদন করতে পারবেন।

বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু শরণার্থীদের উদ্দেশে সিএএ-তে আবেদন করার আহ্বান জানান তিনি । তাঁর দাবি, আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত রেশন, অন্নপূর্ণা প্রকল্প এবং বার্ধক্য ভাতার মতো সরকারি সুবিধা থেকে তাঁদের বঞ্চিত করা হবে না।

ট্রাইবুন্যালে যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না বলে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।