★ Md 360 PVC Print Service ★

প্রিমিয়াম PVC কার্ড অর্ডার করুন

🪪 রেশন • আয়ুষ্মান • আভা • ভোটার

ওয়াটারপ্রুফ • টেকসই • ফাস্ট ডেলিভারি

💬 WhatsApp এ ক্লিক করুন

SIR-এর পর ‘বাদ পড়া’ যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় তোলার উদ্যোগ, বাংলায় শুরু জোরকদমে প্রস্তুতি

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
5 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

এসআইআর শেষ হওয়ার পর ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাওয়া যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে বড়সড় বিশেষ অভিযান শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। শুধু বাদ পড়া ভোটারই নন, নতুন করে ভোট দেওয়ার যোগ্য হওয়া তরুণ এবং প্রথমবারের ভোটারদেরও এই অভিযানের আওতায় আনা হচ্ছে। এসআইআর ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে এমন ২০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশনের। ২৯ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে রাজ্যগুলিকে লিখিত নির্দেশ পাঠানো হয় এবং বৃহস্পতিবার সমস্ত রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের সঙ্গে ভিডিও বৈঠকেও বিষয়টি ফের স্পষ্ট করে দেওয়া হয়।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, এসআইআরের আগে তৈরি ভোটার তালিকা এবং এসআইআরের পরে তৈরি বর্তমান তালিকা মিলিয়ে দেখা হবে। আগের তালিকায় যাঁদের নাম ছিল কিন্তু সংশোধিত তালিকায় আর নেই, তাঁদের মধ্যে কেউ যোগ্য ভোটার হয়েও বাদ পড়েছেন কি না, তা চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই কাজে ব্লক লেভেল অফিসার বা বিএলওদের যুক্ত করা হবে। বিশেষ করে যাঁদের নাম অন্য কোথাও স্থানান্তরিত হয়নি, যাঁদের নাম দ্বৈত ভোটার হিসেবে চিহ্নিত হয়নি এবং যাঁদের মৃত্যু বা স্থায়ীভাবে অন্যত্র চলে যাওয়ার মতো কারণ নেই, তাঁদের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজন হলে নাম ফের অন্তর্ভুক্তির ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।

এই প্রক্রিয়ায় প্রয়োজন অনুযায়ী বিএলওরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সংশ্লিষ্ট ভোটারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন এবং ফর্ম ৬ পূরণে সাহায্য করতে পারেন। অর্থাৎ এসআইআরের সময় কোনও কারণে নাম বাদ পড়ে গেলেই যে ভোটার তালিকায় ফের নাম তোলার সুযোগ থাকবে না, তা নয়। বরং এসআইআর শেষ হয়ে যাওয়া রাজ্যগুলিতে নিয়মিত ভোটার তালিকা হালনাগাদের বা ধারাবাহিক হালনাগাদ প্রক্রিয়ার মধ্যেই এই নাম অন্তর্ভুক্তির ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

এখানেই গুরুত্বপূর্ণ বদল এসেছে ফর্ম ৬-এর ক্ষেত্রে। এসআইআরের সময় ফর্ম ৬-এর সঙ্গে যে অতিরিক্ত ঘোষণাপত্র বা তথ্য চাওয়া হয়েছিল, এসআইআর শেষ হয়ে যাওয়া রাজ্যগুলিতে সেই অতিরিক্ত ব্যবস্থা আর প্রযোজ্য হবে না। কমিশন স্পষ্ট করেছে, ওই ঘোষণা কেবল এসআইআর চলাকালীন ব্যবহারের জন্য ছিল। এসআইআর শেষ হয়ে যাওয়ার পরে নাম অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে নির্বাচক নিবন্ধন বিধি, ১৯৬০ অনুযায়ী প্রযোজ্য সাধারণ ফর্ম ব্যবহার করা হবে। ফলে বাদ পড়া যোগ্য ভোটার এবং নতুন ভোটারদের জন্য সাধারণ ফর্ম ৬-এর মাধ্যমেই আবেদন করার সুযোগ থাকছে।

পশ্চিমবঙ্গেও ইতিমধ্যে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে ১ অক্টোবর জারি করা প্রেস নোটে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক বা ডিইও এবং নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিক বা ইআরওদের বিশেষ অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাদ পড়ে যাওয়া যোগ্য ভোটারদের পাশাপাশি তরুণ ও প্রথমবার ভোট দেওয়ার যোগ্য নাগরিকদের নাম অন্তর্ভুক্তির উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচনী সচেতনতা ক্লাবগুলিকেও এই কাজে যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।

জেলা স্তরে এই অভিযান কীভাবে চালানো হবে, কোথায় সহায়তা কেন্দ্র বা হেল্প ডেস্ক থাকবে এবং কীভাবে যোগ্য ভোটারদের আবেদন করতে সাহায্য করা হবে, তা নিয়েও প্রশাসনিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে সমস্ত ডিইওদের সঙ্গে ভিডিও বৈঠক করে বিশেষ অভিযান এবং ডিইও ও ইআরও স্তরে সহায়তা কেন্দ্র তৈরির বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ফলে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ধাপে ধাপে এই উদ্যোগ কার্যকর করার প্রস্তুতি চলছে।

ইতিমধ্যেই তার ছবি দেখা গিয়েছে বিভিন্ন জেলায়। ২ অক্টোবর জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের উদ্যোগে ইআরও এবং বিডিওদের নিয়ে মিশ্র পদ্ধতিতে বৈঠক করা হয়েছে। সেখানে এসআইআরের পর তালিকার বাইরে থেকে যাওয়া যোগ্য ভোটার এবং তরুণ ও প্রথমবারের ভোটারদের নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য বিশেষ অভিযান কীভাবে চালানো হবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অর্থাৎ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের নির্দেশ জেলা স্তরে পৌঁছে গিয়ে এখন বাস্তব প্রস্তুতিতে রূপ নিচ্ছে।

কমিশনের নির্দেশে প্রয়োজনে রাজনৈতিক দলগুলির ব্লক লেভেল অফিসারদের এই প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কারণ কোনও যোগ্য ভোটারের নাম আগের তালিকায় থাকা সত্ত্বেও বর্তমান তালিকায় নেই কি না, তা চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে স্থানীয় স্তরে তথ্য যাচাই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত কোনও ব্যক্তির নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নির্ধারিত আইন ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনেই সংশ্লিষ্ট Electoral Registration Officer (ERO) নেবেন। 

এই বিশেষ অভিযানের ফলে এসআইআরের পর ভোটার তালিকায় নাম না থাকা যোগ্য নাগরিকদের সামনে ফের আবেদন করার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে যাঁরা সদ্য ১৮ বছর বয়সে পৌঁছেছেন বা প্রথমবার ভোট দেওয়ার যোগ্য হয়েছেন, তাঁরাও ধারাবাহিক হালনাগাদ প্রক্রিয়ায় ফর্ম ৬-এর মাধ্যমে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, লক্ষ্য হল যোগ্য কোনও ভোটার যাতে তালিকার বাইরে না থেকে যান এবং নতুন যোগ্য ভোটারদেরও নিয়মিত প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকায় যুক্ত করা যায়।

★ Md 360 PVC Print Service ★

প্রিমিয়াম PVC কার্ড অর্ডার করুন

🪪 রেশন • আয়ুষ্মান • আভা • ভোটার

ওয়াটারপ্রুফ • টেকসই • ফাস্ট ডেলিভারি

💬 WhatsApp এ ক্লিক করুন
Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।