টিসি দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্কুলে তুলকালাম, স্টাফরুমে ঢুকে মহিলা শিক্ষাকর্মীকে মারধরের অভিযোগ পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

মালদার বামনগোলার জগদলা হাই স্কুলে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টিসি) দেওয়াকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল।  অভিযোগ, এক প্রাক্তন পড়ুয়ার টিসি নিয়ে বচসার পর স্কুলের স্টাফরুমে ঢুকে এক মহিলা অশিক্ষক কর্মীকে মারধর করে কয়েকজন পড়ুয়া।  পাল্টা ওই পড়ুয়াদের মারধর করার অভিযোগও উঠেছে ওই শিক্ষাকর্মীর বিরুদ্ধে।  ঘটনার পর বিষয়টি গড়িয়েছে থানা-পুলিশ পর্যন্ত।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার, ২১ অগস্ট।  জানা গিয়েছে, এক প্রাক্তন পড়ুয়ার টিসি দেওয়াকে কেন্দ্র করে ওই মহিলা শিক্ষাকর্মীর সঙ্গে বচসা শুরু হয়।  নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী টিসি দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে মতবিরোধ তৈরি হয় বলে অভিযোগ।  এরপরই কয়েকজন পড়ুয়া স্টাফরুমে ঢুকে ওই শিক্ষাকর্মীর সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে বলে অভিযোগ।

ঘটনার পর ওই মহিলা শিক্ষাকর্মীকে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।  পরে তাঁকে মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।  ঘটনার একটি ভিডিয়োও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।  তবে সেই ভিডিয়োর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করেনি এমডি ৩৬০ নিউজ।

ওই শিক্ষাকর্মীর অভিযোগ, স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অমিত হালদার এবং আরও কয়েকজন শিক্ষকের উস্কানি ও প্ররোচনার কারণেই পড়ুয়ারা স্টাফরুমে ঢুকে তাঁর উপর হামলা চালায়।  অমিত হালদারের পাশাপাশি ননী রায় ও বিমান পালের নামও অভিযোগে উল্লেখ করেছেন তিনি।

অন্যদিকে, সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অমিত হালদার।  তাঁর পাল্টা দাবি, টিসি দেওয়া নিয়ে ওই শিক্ষাকর্মীর সঙ্গেই প্রথমে বচসা হয় এবং তাঁকেও মারধর করা হয়েছিল।  ঘটনার পর পড়ুয়ারা এসে তাঁদের মারধরের অভিযোগ জানায় বলেও দাবি তাঁর।

এদিকে, স্কুলের অভ্যন্তরীণ বিবাদ নিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে আরও একাধিক অভিযোগ তুলেছেন দুই পক্ষ। শিক্ষাকর্মীর অভিযোগের মধ্যে স্কুলের বিভিন্ন বিষয়ে অনিয়মের দাবিও রয়েছে।  যদিও সেই অভিযোগগুলির সত্যতা এখনও প্রমাণিত হয়নি।

ঘটনার পর বামনগোলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে।  পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।  অমিত হালদারের মেডিক্যাল পরীক্ষাও করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।  এখনও পর্যন্ত ঘটনায় কোনও গ্রেফতারের খবর নেই।  অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগ খতিয়ে দেখে ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং কারা ঘটনায় জড়িত, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।