দিল্লিতে চলমান বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়ায় এবার আরও দুটি বড় নাম উঠে এসেছে। প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ডি.ওয়াই. চন্দ্রচূড়ের স্ত্রী কল্পনা দাস এবং প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি বি.আর. গভাইয়ের স্ত্রী তেজস্বিনী ভূষণ গভাই—দুজনেই নোটিস পেয়েছেন।
জানা গেছে, সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি (CJI) ডি. ওয়াই. চন্দ্রচূড়ের স্ত্রী কল্পনা দাসের নামে নোটিশ এসেছে ‘Unmapped with Last SIR’ ক্যাটাগরিতে; অর্থাৎ, পূর্ববর্তী SIR তালিকার সঙ্গে তাঁর ভোটার তথ্যের কোনো যোগসূত্র বা মিল খুঁজে পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, সুপ্রিম কোর্টের আরেক প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি (CJI) বি. আর. গাভাইয়ের স্ত্রী তেজস্বিনী ভূষণ গাভাইয়ের ক্ষেত্রে কারণ দেখানো হয়েছে ‘Self Name Mismatch’; যার মানে হলো, তাঁর বর্তমান নামের বানানের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের পুরোনো রেকর্ডে (২০০২ সালের এসআইআর) থাকা নামের কোনো মিল পাওয়া যায়নি।
এই ভাআইপি তালিকায় দেশের শীর্ষ প্রাক্তন বিচারকদের পাশাপাশি নাম রয়েছে দেশের প্রবীণতম বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন উপ-প্রধানমন্ত্রী এল.কে. আডবাণী, তাঁর কন্যা প্রতিভা আডবাণী এবং পুত্রবধূ গীতিকা আডবাণীরও। তাঁদের তিনজনের ক্ষেত্রেও কারণ একই—Unmapped with Last SIR।
এর আগে প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় এবং তাঁর স্ত্রী সুদেশ ধনখড়ের নামও এই তালিকায় আসার খবর প্রকাশ্যে এসেছিল। পাশাপাশি, দিল্লির তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামও এই শ্রেণিতে রয়েছে।
আসলে এরা একা নন দিল্লি নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুসারে , খসড়া ভোটার তালিকায় থাকা প্রায় ৩৩.১৩ লক্ষ ভোটারের ক্ষেত্রে তথ্যের অমিল বা অসঙ্গতি ধরা পড়ে। এর মধ্যে গত ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৩১.৬৩ লক্ষ মানুষকে নোটিস দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, কেজরিওয়ালের নাম বাদ পড়া নিয়ে আম আদমি পার্টির পক্ষ থেকে রাজনৈতিক ক্ষোভ প্রকাশ করা হলেও, নির্বাচন কমিশন সাফ জানিয়েছে যে কারও নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়নি। প্রাথমিক ভাবে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কারণে নোটিস দেওয়া হলেও, পরে বিএলও রা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফিজিক্যাল ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে তা যাচাই করেছেন। কমিশনের দাবি, পরিবারের কেউ সময়মতো আগের SIR এর সঙ্গে নাম ম্যাপ না করার কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৩১ অগস্ট প্রকাশিত দিল্লির খসড়া ভোটার তালিকায় মোট ৯৭,৫৩,৫৭৭ জন ভোটারের নাম রয়েছে, যা ৩০ জুনের তুলনায় বেশ কম। সমস্ত প্রক্রিয়া শেষে আগামী ৪ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে দিল্লির এসআইআর-এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রিমিয়াম PVC কার্ড অর্ডার করুন
ওয়াটারপ্রুফ • টেকসই • ফাস্ট ডেলিভারি
💬 WhatsApp এ ক্লিক করুন
