কৃষ্ণনগরে ডিম-বিতর্ক নিয়ে আইনি লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। এদিন তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরাসরি চার বিজেপি কর্মীর নাম ও ঠিকানা উল্লেখ করে ভিডিও পোস্ট করেন তিনি।
সম্প্রতি রাজ্য রাজনীতিতে তৃণমূলের বিভিন্ন স্তরের নেতা-নেত্রীদের লক্ষ্য করে বিক্ষোভকারীদের ডিম ও পচা টম্যাটো ছুড়ে মারা এবং ‘চোর-চোর‘ স্লোগান দেওয়ার একটি নতুন প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এই আবহে কৃষ্ণনগর জেলা আদালত চত্বরে বিজেপির মহিলা মোর্চার একদল কর্মী এবং কিছু সাধারণ মানুষ তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের আসার খবর পেয়ে ডিম ও পচা টম্যাটো হাতে নিয়ে জমায়েত করেন। সেদিন আদালতে সশরীরে হাজিরা না দেওয়ায় মহুয়া মৈত্র এই সম্ভাব্য ডিম-হামলার মুখ থেকে বেঁচে যান। তবে আদালত চত্বরে ডিম ও টম্যাটো হাতে অপেক্ষারত সেই নারীদের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ভাইরাল হয়।
এ দিন মহুয়া মৈত্র নিজের ফেসবুক পেজে ভিডিওটি শেয়ার করে বিক্ষোভকারী নারীদের সরাসরি রাজনৈতিক হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তিনি কেবল মৌখিক হুঁশিয়ারি দিয়েই ক্ষান্ত হননি, বরং ভিডিও ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করে কৃষ্ণনগরের ৪ জন বাসিন্দার নাম ও পাড়া সরাসরি তাঁর পোস্টের ক্যাপশনে লিখে দেন। তিনি লেখেন, “ঘূর্ণি ঘরামী পাড়ার চাইনা নন্দী ও পপি সরকার, চৈতন্য লেন রাধানগরের দীপা কুন্ডু ও সোমা মিত্র – ডিম্ টিম ছেড়ে দিন।”
এছাড়াও তিনি বলেন, “কয়েকটা ভালো উকিল এবং ফিসের টাকাটা নিয়ে তৈরী থাকুন – আগামী দিন খুব শীঘ্রই দরকার হবে!“ তাঁর সাফ কথা, যারা ডিম ছুড়তে এসেছিলেন, তাঁদের আগামী ৩ বছর আদালতে চক্কর কাটতে হবে এবং তখন বিজেপির কোনো দাদা তাঁদের বাঁচাতে আসবে না।
