দিল্লিতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR-এর কাজ চলাকালীন নোটিস পেলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁর পাশাপাশি একই নোটিস দেওয়া হয়েছে পরিবারের আরও চার সদস্যকে। ফলে কেজরিওয়াল, তাঁর স্ত্রী সুনীতা, ছেলে পুলকিত এবং বাবা-মা গোবিন্দ রাম ও গীতা দেবী—পরিবারের মোট পাঁচ জনকে ভোটার সংক্রান্ত তথ্য যাচাইয়ের প্রক্রিয়ার মধ্যে পড়তে হয়েছে।
দিল্লির মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর ১৯ সেপ্টেম্বর SIR-এ চিহ্নিত ভোটারদের তালিকা প্রকাশ করে। সেখানে প্রায় ৩৩.১ লক্ষ ভোটারের নাম রয়েছে। কারও ক্ষেত্রে ভোটার তথ্যের মধ্যে অসঙ্গতি ধরা পড়েছে, আবার কারও বর্তমান তথ্য আগের SIR-এর নথির সঙ্গে মেলেনি। এই দ্বিতীয় ধরনের তালিকাতেই কেজরিওয়াল পরিবারের সদস্যদের রাখা হয়েছে।
‘আনম্যাপড’ বলতে মূলত বোঝানো হচ্ছে, আগের SIR-এর তথ্যের সঙ্গে বর্তমান ভোটার রেকর্ডের প্রয়োজনীয় সংযোগ খুঁজে পাওয়া যায়নি। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট ভোটারদের নোটিস পাঠিয়ে নথিপত্র যাচাইয়ের জন্য ডাকা হচ্ছে। কেজরিওয়াল পরিবারের ক্ষেত্রেও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, কেজরিওয়াল নয়াদিল্লি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার। ওই কেন্দ্রের KG Marg এলাকার Part-51-এ মোট ১১০ জন ভোটারকে নোটিস দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যেই রয়েছেন কেজরিওয়াল পরিবারের পাঁচ সদস্য। অর্থাৎ একই পরিবারের পাঁচ জনের ভোটার সংক্রান্ত তথ্য আগের SIR-এর রেকর্ডের সঙ্গে মেলেনি বলে তাঁদের যাচাইয়ের আওতায় আনা হয়েছে।
এখন নোটিস পাওয়া ব্যক্তিদের নির্দিষ্ট দিনে কমিশনের শুনানিতে হাজির হয়ে প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে হবে। সেই নথি যাছাই বাছাই করার পরই তাঁদের ভোটার তালিকায় নামের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে। তাই নোটিস জারি হওয়াকে সরাসরি ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা যাচ্ছে না।
SIR নিয়ে অবশ্য আগেই আপত্তি জানিয়েছিলেন কেজরিওয়াল। তাঁর অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ার ফলে বহু ভোটারের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে এবং বিরোধী দলের সমর্থকরাও তার প্রভাবের মুখে পড়তে পারেন। অন্য দিকে, নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, কেজরিওয়াল পরিবারের ক্ষেত্রে নোটিস জারির কারণ হিসাবে আগের SIR-এর সঙ্গে বর্তমান ভোটার তথ্যের মিল না পাওয়ার বিষয়টিই উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রিমিয়াম PVC কার্ড অর্ডার করুন
ওয়াটারপ্রুফ • টেকসই • ফাস্ট ডেলিভারি
💬 WhatsApp এ ক্লিক করুন
