★ Md 360 PVC Print Service ★

প্রিমিয়াম PVC কার্ড অর্ডার করুন

🪪 রেশন • আয়ুষ্মান • আভা • ভোটার

ওয়াটারপ্রুফ • টেকসই • ফাস্ট ডেলিভারি

💬 WhatsApp এ ক্লিক করুন

কে পাবে ‘জোড়াফুল’? তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত ঘিরে বাড়ছে জল্পনা

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
3 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

‘ঘাসের উপর জোড়াফুল’ তৃণমূল কংগ্রেসের পরিচিত নির্বাচনী প্রতীক। কিন্তু এবার সেই প্রতীক নিয়েই তৈরি হয়েছে বড়সড় টানাপোড়েন।  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির—দুই পক্ষই নিজেদের তৃণমূল কংগ্রেসের বৈধ প্রতিনিধি বলে দাবি করছে।  শেষ পর্যন্ত দলের নাম ও প্রতীক কার হাতে থাকবে, তার সিদ্ধান্ত এখন নির্বাচন কমিশনের বিবেচনায়।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

জানা গেছে দুই শিবির তাদের নথি জমা করেছে।  দুই শিবিরের দাবি ও জমা দেওয়া নথি খতিয়ে দেখছে কমিশন। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠকও হয়েছে।  কমিশন সূত্রের খবর, নথিপত্র যাচাইয়ের জন্য শুক্রবার সকাল ১১টা পর্যন্ত সময় রাখা হয়েছে।  এরপরই পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবারও বিষয়টি নিয়ে কমিশনের কাছে দুই পক্ষের বক্তব্য ও নথি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।  এর আগে কমিশন দুই শিবিরকেই অতিরিক্ত নথি জমা দিতে বলেছিল।  ১৬ সেপ্টেম্বর সেই নথি জমা দেওয়ার সময়সীমা শেষ হয়েছে।  ফলে এখন কমিশনের সামনে দুই পক্ষের দাবি এবং জমা দেওয়া প্রমাণপত্রের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপের পালা।

বিষয়টি সামনে এসেছে আগামী ৬ অক্টোবরের নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে।  দুই কেন্দ্রেই দুই শিবির আলাদা প্রার্থী দিয়েছে।  এমনকি মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় দুই পক্ষই তৃণমূলের ‘জোড়াফুল’ প্রতীক দাবি করেছে। ফলে একই প্রতীক নিয়ে দুই গোষ্ঠীর প্রার্থী তৈরি হওয়ায় নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই মুহূর্তে একাধিক সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে।  কমিশন চাইলে দুই পক্ষের মধ্যে কোনও এক শিবিরকে প্রতীক ব্যবহারের অনুমতি দিতে পারে।  আবার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রতীকটি সাময়িকভাবে ‘ফ্রিজ’ করে রাখার ব্যবস্থাও করতে পারে।  দুই পক্ষের দাবিই আপাতত খারিজ করে অন্য কোনও অন্তর্বর্তী ব্যবস্থার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।

তবে এখনও পর্যন্ত কমিশনের তরফে ‘জোড়াফুল’ প্রতীক নিয়ে কোনও চূড়ান্ত নির্দেশ প্রকাশ্যে আসেনি।  তাই কোনও একটি পক্ষ প্রতীক পেয়ে গিয়েছে এমন দাবি এখনই নিশ্চিত তথ্য হিসেবে ধরা ঠিক হবে না।

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচন সামনে থাকায় সময়টা দুই শিবিরের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ।  মনোনয়ন পর্ব শেষ হলেও প্রতীক নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি।  ফলে প্রচারে কোন দলীয় পরিচয় এবং কোন নির্বাচনী প্রতীক ব্যবহার করা যাবে, কমিশনের নির্দেশের পর সেটিই স্পষ্ট হবে।

অন্যদিকে, মমতা শিবিরের রেজিনগর প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, জোড়াফুল প্রতীক পেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রচারে আসবেন বলে তিনি শুনেছেন।  প্রতীক না মিললে প্রচারে আসার বিষয়টি নিয়ে তিনি ‘চিন্তাভাবনা’ করবেন বলেও জানিয়েছেন।  এই মন্তব্যকে ঘিরেও বৃহস্পতিবার রাজনৈতিক মহলে আলোচনা হয়েছে।

সব মিলিয়ে এখন নজর নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী নির্দেশের দিকে।  ‘জোড়াফুল’ শেষ পর্যন্ত কোন শিবিরের হাতে থাকবে, নাকি আপাতত প্রতীকটি ফ্রিজ করে দেওয়া হবে তার উত্তর মিললেই স্পষ্ট হবে আগামী উপনির্বাচনে তৃণমূলের দুই শিবিরের লড়াই কোন প্রতীক ও পরিচয়ে হবে।

★ Md 360 PVC Print Service ★

প্রিমিয়াম PVC কার্ড অর্ডার করুন

🪪 রেশন • আয়ুষ্মান • আভা • ভোটার

ওয়াটারপ্রুফ • টেকসই • ফাস্ট ডেলিভারি

💬 WhatsApp এ ক্লিক করুন
Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।