আইনজীবী মোফাক্কারুলের (Mofakkerul Islam) ওকালতি করার অধিকার কি সত্যিই গিয়েছে? জানুন সত্যিটা

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

মালদহের কালিয়াচকে বিচারকদের ওপর নজিরবিহীন হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী মোফাক্কারুল ইসলামকে (Moffakkerul Islam) নিয়ে রাজ্য রাজনীতি ও আইনি মহলে শোরগোল অব্যাহত।  এরই মধ্যে মোফাক্কারুলের ওকালতির লাইসেন্স বা ‘সানাদ’ বাতিল হওয়া নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ও মূলধারার সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া খবরকে ‘বিভ্রান্তিকর’ ও ‘অর্ধসত্য’ বলে তোপ দাগলেন কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী সেখ সানাওয়াজ আলি (Sekh Sanawaz Ali)।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

সম্প্রতি মোফাক্কারুল ইসলামের সদস্যপদ স্থগিত করার পর বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম দাবি করে যে, অভিযুক্তের ওকালতির অধিকার বা লাইসেন্স চিরতরে কেড়ে নেওয়া হয়েছে।  এই তথ্যের তীব্র বিরোধিতা করে এদিন নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে অ্যাডভোকেট সেখ সানাওয়াজ আলি একটি স্পষ্টীকরণ দিয়েছেন।  তাঁর সাফ অভিযোগ, সংবাদমাধ্যমগুলো আইনি পরিভাষা ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার তফাত না বুঝেই সাধারণ মানুষকে ভুল খবর পরিবেশন করছে।

আইনজীবী আলি পোস্টে লিখেন, “মোফাক্কারুল ইসলামের ওকালতির লাইসেন্স বাতিল হয়নি। শুধুমাত্র কলকাতা হাইকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের মেম্বারশিপটা উক্ত মামলা বিচারাধীন পর্যন্ত সাসপেন্ড করা হয়েছে।” তিনি আরও যোগ করেন যে, “এর সাথে ওকালতির লাইসেন্স বাতিলের কোনো সম্পর্ক নেই।  মিডিয়ার এটুকু পড়াশোনা নেই, এরা মানুষকে খবর খাওয়াবে।”

আইনি মহলের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বার অ্যাসোসিয়েশন মূলত একটি পেশাদার সংগঠন বা ক্লাবের মতো।  তারা তাদের কোনো সদস্যকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার বা সাসপেন্ড করতে পারে, কিন্তু ওকালতি করার আইনি অধিকার বা লাইসেন্স কেড়ে নেওয়ার ক্ষমতা তাদের নেই।  সেই ক্ষমতা আইনত ন্যস্ত রয়েছে স্টেট বার কাউন্সিল এর (State Bar Council) হাতে।  বার অ্যাসোসিয়েশন বড়জোর কাউন্সিলের কাছে লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করতে পারে মাত্র, কিন্তু নিজে তা কার্যকর করতে পারে না।

কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী মোফাক্কেরুল ইসলামের বিরুদ্ধে কালিয়াচকের মোথাবাড়ি ব্লক অফিসে সাতজন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে কয়েক ঘণ্টা ধরে ঘেরাও করে রাখার অভিযোগ উঠেছে।  এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সিআইডি তাঁকে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করেছে।  গত ৩ এপ্রিল এই ঘটনাকে ‘নজিরবিহীন’ বলে আখ্যা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এই ঘটনার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (NIA)।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।