Hajj 2026 Packages From India: হজের খরচ বাড়ল আরও ১০ হাজার টাকা, সময়সীমা ১৫ মে! না দিলে মিলবে না বোর্ডিং পাস

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

হজযাত্রার ঠিক আগমুহূর্তে বড়সড় আর্থিক ধাক্কা খেলেন ভারতের হজযাত্রীরা।  পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা ও আন্তর্জাতিক বাজারে বিমান জ্বালানির (ATF) অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে মাথাপিছু অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা মাশুল ঘোষণা করেছে ভারতের হজ কমিটি (HCoI)।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

গত ২৮ এপ্রিল প্রকাশিত এক জরুরি সার্কুলারে জানানো হয়েছে, দেশের প্রতিটি এমবার্কেশন পয়েন্ট থেকেই যাত্রীদের এই বাড়তি টাকা দিতে হবে।  এই অর্থ জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমা আগামী ১৫ মে। কমিটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই ‘ডিফারেনশিয়াল এয়ারফেয়ার’ বা বর্ধিত বিমান ভাড়া পরিশোধ না করলে সংশ্লিষ্ট যাত্রীর বোর্ডিং পাস ইস্যু করা হবে না।  অর্থাৎ, টাকা জমা না দিলে বাতিল হয়ে যেতে পারে হজের স্বপ্ন।

কর্তৃপক্ষের দাবি, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে বিমান সংস্থাগুলো আগের চুক্তিবদ্ধ ভাড়ায় পরিষেবা দিতে অস্বীকার করায় এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।  তবে সরকারের এই আকস্মিক পদক্ষেপে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে পুণ্যার্থীদের মধ্যে।

​হজ কমিটির এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন এআইএমআইএম (AIMIM) প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি জানান, মুম্বাই থেকে যাত্রার জন্য কয়েক মাস আগেই পুণ্যার্থীদের কাছ থেকে প্রায় ৯১ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে, এখন আবার নতুন করে ১০ হাজার টাকা চাওয়া হচ্ছে।  ওয়াইসির দাবি, হজ কমিটির নির্ধারিত এই ভাড়া সাধারণ বিমান ভাড়ার তুলনায় থাকে প্রায় দ্বিগুণ।

​তিনি প্রশ্ন তোলেন, হজ কমিটির মাধ্যমে যাওয়ার জন্য পুণ্যার্থীদের কি শাস্তি দেওয়া হচ্ছে? তিনি বলেন, “অধিকাংশ পুণ্যার্থীই ধনী নন, তাঁরা বছরের পর বছর টাকা জমিয়ে হজে যান।  এটা তাঁদের কাছে বিলাসিতা নয়।”

এদিন এবিষয়ে মুখ খোলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বাড়ায় বিমান সংস্থাগুলো মাথাপিছু প্রায় ৩০-৪০ হাজার টাকা বেশি চেয়েছিল।  কিন্তু সরকারের সাথে আলোচনার পর তা কমিয়ে মাত্র ১০ হাজার টাকা করা হয়েছে।  হজ যাত্রা যাতে বন্ধ না হয়, সেই স্বার্থেই এই ‘ন্যূনতম’ টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।