কাল দুপুর অবধি যারা ছিলেন না, তাদের আর দরকার নেই’, জিতেই দলে ‘নো এন্ট্রি’ সজলের; বিপাকে দলছুটরা

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

ভোটের ফল বেরোতেই স্বমহিমায় ধরা দিলেন বরানগর বিধানসভা কেন্দ্রের জয়ী বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ।  ১৬ হাজার ৯৫৬ ভোটের ব্যবধানে বড় জয় পাওয়ার পরেই দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় এক নজিরবিহীন কড়া দাওয়াই দিলেন তিনি।  জয়ের উল্লাসের মাঝেই সজলবাবু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এলাকায় কোনও প্রকার দাদাগিরি বা অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না।  একই সঙ্গে সুবিধাবাদী রাজনীতি রুখতে নতুনদের জন্য আপাতত দলের দরজা বন্ধ এমন‌ই বার্তা দিলেন।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, কোনও ক্লাব বা দলীয় কার্যালয়কে কেন্দ্র করে যদি কেউ অন্য কারও ওপর হামলা চালায়, তবে তাকে রেয়াত করা হবে না।  সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সরাসরি ‘দলবিরোধী’ হিসেবে দেগে দিয়ে দল থেকে বহিষ্কার করার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি।  তাঁর সাফ কথা, অতীতে যাঁরা অপরাধ করেছেন, আইন তাঁদের ক্ষেত্রে নিজের পথেই চলবে।  দল কোনও অবস্থাতেই কোনও অপরাধীর ঢাল হিসেবে কাজ করবে না।

এছাড়াও তিনি এ দিন দলবদলু ও সুবিধাবাদীদের রুখতে সজলবাবু স্পষ্ট জানিয়েছেন, গতকাল দুপুর পর্যন্ত যাঁরা বিজেপির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তাঁদের এখন আর নতুন করে বিজেপি করার বা দলে আসার প্রয়োজন নেই।  সজল ঘোষের দাবি, এটি তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়, বরং দলের পক্ষ থেকেই এই চূড়ান্ত ‘অর্ডার’ দেওয়া হয়েছে।  তাঁর এই ‘কাল দুপুর’ তত্ত্বে স্বাভাবিকভাবেই চরম বিপাকে পড়েছেন সেইসব কর্মীরা, যাঁরা ভোটের ফল দেখে শিবির বদলানোর অপেক্ষায় ছিলেন।

অপরদিকে এক‌ই কথা শোনা গেল রাজ্য নেতার মুখে।  শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “পরিষ্কার করে বলে দিচ্ছি, বিজেপির পতাকা নিয়ে কোনও হিংসা করা চলবে না।  কোনও তৃণমূলের পার্টি অফিসে যদি ভাঙচুর চলে, কিংবা মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের কদর্য ভাষায় আক্রমণ করা হয়, তবে আমি তাঁদের দল থেকে বরখাস্ত করব।” তিনি আরও জানান, এই ধরনের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পূর্ণ ক্ষমতা দল তাঁকে দিয়েছে।  অশান্তি সৃষ্টিকারীদের জন্য বিজেপিতে কোনও জায়গা নেই রাজ্য সভাপতির এই বার্তায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।