সপ্তাহে একদিন মিড-ডে মিলে চিকেন বিরিয়ানি খাওয়াবে তামিলনাড়ু সরকার

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
AI Image
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

তামিলনাড়ুর সরকারি স্কুলের মিড-ডে মিল বা মধ্যাহ্নভোজের মেনুতে বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে রাজ্য সরকার।  নতুন এই প্রস্তাব অনুযায়ী, এখন থেকে সপ্তাহের নির্দিষ্ট একদিন সরকারি স্কুলের পড়ুয়াদের সুস্বাদু চিকেন বিরিয়ানি পরিবেশন করার কথা ভাবা হচ্ছে।  সম্প্রতি অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট বৈঠকে ৮০টিরও বেশি শিক্ষক সংগঠন মিড-ডে মিলের খাবারে বৈচিত্র্য আনার জোরালো দাবি তোলে।  তাদের মত ছিল, প্রতিদিন একই ধরনের খাবার না দিয়ে শিক্ষার্থীদের আরও আকর্ষণীয়, সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খাবার দেওয়া উচিত।  শিক্ষক সংগঠনগুলোর এই দাবির প্রেক্ষিতেই স্কুল শিক্ষা মন্ত্রী রাজমোহন সপ্তাহে একদিন মিড-ডে মিলে চিকেন বিরিয়ানি রাখার একটি বিস্তারিত প্রস্তাব তৈরি করেন। প্রয়োজনীয় তথ্য এবং আর্থিক হিসাব-নিকাশ সম্বলিত সেই প্রস্তাব ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী সি. জোসেফ বিজয়ের কাছে পাঠানো হয়েছে, যদিও বর্তমানে এটি পর্যালোচনার পর্যায়ে রয়েছে এবং এখনও চূড়ান্ত অনুমোদন মেলেনি।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

বর্তমানে তামিলনাড়ুর সরকারি স্কুলগুলোতে মিড-ডে মিলের জন্য মাথাপিছু ১৫ টাকা করে বরাদ্দ রয়েছে।  এই প্রকল্পের আওতায় পড়ুয়াদের নিয়মিত ডিম, চিকেন ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হয়ে থাকে, আর যারা নিরামিষভোজী, তাদের জন্য কলার ব্যবস্থা রাখা হয়।  শুধু মধ্যাহ্নভোজই নয়, স্কুলের ব্রেকফাস্ট স্কিম বা প্রাতঃরাশের মেনুতেও পরিবর্তনের কথা ভাবছে সরকার।  উপমার মতো কম জনপ্রিয় খাবারগুলোর পরিবর্তে কীভাবে আরও পুষ্টিকর এবং পড়ুয়াদের পছন্দের খাবার মেনুতে আনা যায়, তা নিয়ে চলছে পরিকল্পনা।

পাশাপাশি, শিক্ষক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানানো হয়েছে।  ব্রেকফাস্ট স্কিম এবং মিড-ডে মিল প্রকল্পের পরিধি আরও বাড়িয়ে সেগুলোর আওতায় একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদেরও নিয়ে আসার অনুরোধ করা হয়েছে।  বর্তমানে প্রাতঃরাশের প্রকল্পে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৩২ লাখ এবং মধ্যাহ্নভোজের প্রকল্পে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থী এই সুবিধার লাভ পাচ্ছে।  সরকারের তরফ থেকে এই দাবি মেনে নেওয়া হলে অতিরিক্ত প্রায় আট লাখ পড়ুয়া এই পুষ্টিকর খাবারের সুবিধার আওতায় চলে আসবে।

উল্লেখ্য, ভারতে স্কুলশিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে মধ্যাহ্নভোজ দেওয়ার এই মহৎ উদ্যোগ প্রথম তামিলনাড়ু রাজ্য থেকেই শুরু হয়েছিল এবং পরবর্তীতে তা গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়ে।  সেই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের কারণে মিড-ডে মিলে চিকেন বিরিয়ানি অন্তর্ভুক্ত করার এই নতুন প্রস্তাবটি বর্তমানে গোটা দেশেই ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।