বাংলায় ১,০০০ কোটি টাকার কেন্দ্রীয় কেমিক্যাল পার্কের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে চিঠি শমীক ভট্টাচার্যের

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

কেন্দ্র সরকারের ভব্য রসায়ন (BHAVYA Rasayan) প্রকল্পের আওতায় পশ্চিমবঙ্গে একটি বড় কেমিক্যাল পার্ক গড়ে তোলার আবেদন জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে চিঠি লিখেছেন রাজ্যসভার সাংসদ ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।  তাঁর দাবি, এই প্রকল্প রাজ্যের শিল্প ও কর্মসংস্থানের জন্য বড় সুযোগ এনে দিতে পারে। তাই দেরি না করে দ্রুত কেন্দ্রের কাছে আবেদন করা উচিত।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, কেন্দ্র সরকার দেশজুড়ে মাত্র তিনটি আধুনিক কেমিক্যাল পার্ক তৈরি করবে।  যে রাজ্যগুলি নির্বাচিত হবে, তাদের প্রতিটি প্রকল্পের জন্য কেন্দ্র সর্বোচ্চ ১,০০০ কোটি টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দেবে।

শমীক ভট্টাচার্যের মতে, পশ্চিমবঙ্গ এই প্রকল্প পেলে রাজ্যে বড় শিল্প গড়ে উঠবে, নতুন বিনিয়োগ আসবে এবং বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।  পাশাপাশি ওষুধ, বস্ত্র, ইলেকট্রনিক্স, অটোমোবাইল, কৃষি এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পও এর সুবিধা পাবে।

কেমিক্যাল পার্ক তৈরির জন্য তিনি সিঙ্গুর, হলদিয়া, রঘুনাথপুর ও দুর্গাপুর এই চারটি জায়গার প্রস্তাব দিয়েছেন।  তবে রাজ্য সরকার চাইলে অন্য কোনও উপযুক্ত ও বিতর্কমুক্ত জায়গাও বেছে নিতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।

প্রকল্পের শর্ত অনুযায়ী, রাজ্য সরকারকে ২,০০০ একর একটানা জমি দিতে হবে এবং ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে হবে।  এছাড়া দ্রুত একটি টাস্ক ফোর্স গঠন করে কেন্দ্রের কাছে প্রস্তাব পাঠানোর পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।

চিঠির শেষে শমীক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গ যাতে এই প্রকল্পের সুযোগ পায়, তার জন্য কেন্দ্রের সঙ্গে সব ধরনের সমন্বয় ও সহযোগিতা করতে তিনি প্রস্তুত।  তাঁর এই চিঠির অনুলিপি রাজ্যের অর্থমন্ত্রী, শিল্পমন্ত্রী এবং শিল্প দফতরের শীর্ষ আধিকারিকদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।