সমস্ত জল্পনার অবসান। নবান্ন সভাঘরে আয়োজিত প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকেই নির্ধারিত হয়ে গেল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ‘কোর টিম‘। প্রশাসনিক তৎপরতায় সিলমোহর পড়ল রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ পাঁচ মন্ত্রীর দপ্তরে। দেখে নিন একনজরে কে কোন দায়িত্ব পেলেন:
১. দিলীপ ঘোষ (পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন এবং প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন)
তালিকায় সবথেকে বড় চমক মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র দিলীপ ঘোষ। গ্রামীণ বাংলার উন্নয়নের মাধ্যমে সংগঠনের ভিত মজবুত করতে তাঁর ওপরই আস্থা রাখল নবান্ন।
২. অগ্নিমিত্রা পাল (পুর ও নগরোন্নয়ন এবং নারী ও শিশু কল্যাণ)
আসানসোলের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পালকে দেওয়া হয়েছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ‘ভারী’ দপ্তর। আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনা এবং নারী নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তাঁর ওপর গভীর ভরসা রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
৩. নিশীথ প্রামাণিক (উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন এবং ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ)
উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক গুরুত্ব বজায় রাখতে নিশীথ প্রামাণিককে দেওয়া হয়েছে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর। পাশাপাশি যুবশক্তিকে দিশা দেখাতে তিনি সামলাবেন ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ দপ্তর।
৪. ক্ষুদিরাম টুডু (আদিবাসী ও অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক)
পিছিয়ে পড়া মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে মন্ত্রিসভায় বড় জায়গা পেয়েছেন ক্ষুদিরাম টুডু। আদিবাসী উন্নয়ন, অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ এবং মাদ্রাসা শিক্ষার মতো সংবেদনশীল দপ্তর তাঁর হাতে ন্যস্ত।
৫. অশোক কীর্তনীয়া (খাদ্য দপ্তর)
সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন রসদ ও খাদ্য নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাবেন অশোক কীর্তনীয়া।
মন্ত্রিসভার এই দায়িত্ব বণ্টনের পাশাপাশি প্রশাসনের আগামী পদক্ষেপও স্থির করা হয়েছে। জানা গেছে, আগামী বুধ ও বৃহস্পতিবার বিধানসভার অ্যানেক্স বিল্ডিংয়ে আয়োজিত হবে নবনির্বাচিত বিধায়কদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেও সেদিন বিধায়ক হিসেবে শপথ নেবেন। তার আগে মঙ্গলবার লোকভবনে সম্পন্ন হবে প্রোটেম স্পিকারের শপথ গ্রহণ।

