ডিম টিম ছেড়ে দিন, ভালো উকিল খুঁজুন”, সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

কৃষ্ণনগরে ডিম-বিতর্ক নিয়ে আইনি লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র।  এদিন তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরাসরি চার বিজেপি কর্মীর নাম ও ঠিকানা উল্লেখ করে ভিডিও পোস্ট করেন তিনি।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

সম্প্রতি রাজ্য রাজনীতিতে তৃণমূলের বিভিন্ন স্তরের নেতা-নেত্রীদের লক্ষ্য করে বিক্ষোভকারীদের ডিম ও পচা টম্যাটো ছুড়ে মারা এবং ‘চোর-চোর‘ স্লোগান দেওয়ার একটি নতুন প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।  এই আবহে কৃষ্ণনগর জেলা আদালত চত্বরে বিজেপির মহিলা মোর্চার একদল কর্মী এবং কিছু সাধারণ মানুষ তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের আসার খবর পেয়ে ডিম ও পচা টম্যাটো হাতে নিয়ে জমায়েত করেন।  সেদিন আদালতে সশরীরে হাজিরা না দেওয়ায় মহুয়া মৈত্র এই সম্ভাব্য ডিম-হামলার মুখ থেকে বেঁচে যান।  তবে আদালত চত্বরে ডিম ও টম্যাটো হাতে অপেক্ষারত সেই নারীদের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ভাইরাল হয়।

এ দিন মহুয়া মৈত্র নিজের ফেসবুক পেজে ভিডিওটি শেয়ার করে বিক্ষোভকারী নারীদের সরাসরি রাজনৈতিক হুঁশিয়ারি দেন তিনি।  তিনি কেবল মৌখিক হুঁশিয়ারি দিয়েই ক্ষান্ত হননি, বরং ভিডিও ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করে কৃষ্ণনগরের ৪ জন বাসিন্দার নাম ও পাড়া সরাসরি তাঁর পোস্টের ক্যাপশনে লিখে দেন। তিনি লেখেন, “ঘূর্ণি ঘরামী পাড়ার চাইনা নন্দী ও পপি সরকার, চৈতন্য লেন রাধানগরের দীপা কুন্ডু ও সোমা মিত্র – ডিম্ টিম ছেড়ে দিন।

এছাড়াও তিনি বলেন, “কয়েকটা ভালো উকিল এবং ফিসের টাকাটা নিয়ে তৈরী থাকুন – আগামী দিন খুব শীঘ্রই দরকার হবে! তাঁর সাফ কথা, যারা ডিম ছুড়তে এসেছিলেন, তাঁদের আগামী ৩ বছর আদালতে চক্কর কাটতে হবে এবং তখন বিজেপির কোনো দাদা তাঁদের বাঁচাতে আসবে না।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।