মিড-ডে মিল নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াবেন না! ইসকন কর্তৃপক্ষ কী বলছে শুনুন

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

এখন থেকে কলকাতা শহরের সরকারি স্কুলগুলোতে বাচ্চাদের দুপুরের খাবার (মিড-ডে মিল) রান্না করবে ‘ইসকন’ (ISKCON)।  সরকার আপাতত পরীক্ষা হিসেবে এই নতুন ব্যবস্থা চালু করছে।  কিন্তু এই খবর ছড়ানোর পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা ধরনের খাবারের তালিকা বা মেনু ভাইরাল হয়েছে।  এই নিয়ে সাধারণ মানুষ ও অভিভাবকদের মনে অনেক প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

সম্প্রতি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু লোক দাবি করছেন যে, ইসকন সপ্তাহে ৬ দিন কী কী খাবার দেবে, তার একটি তালিকা নাকি ঠিক হয়ে গেছে।  সেখানে পোলাও, পনির বা রাজকীয় খাবারের নাম দেখে অনেকেই ভাবছেন এটাই সত্যি।  আবার অনেকে দুশ্চিন্তা করছেন যে, ইসকন নিরামিষাশী প্রতিষ্ঠান হওয়ায় বাচ্চাদের পাতে কি আর ডিম বা মাছ-মাংস পড়বে না?

এই বিভ্রান্তি দূর করতে ইসকন কলকাতার মুখপাত্র রাধারমণ দাস স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরতে থাকা খাবারের তালিকাগুলো একদম ভুয়ো।  তিনি বলেন, এখনও কোনো খাবারের মেনু ঠিক করা হয়নি।

সরকারের সাথে কথা বলে মেনু চূড়ান্ত হওয়ার পর তারা আনুষ্ঠানিকভাবে সবাইকে জানিয়ে দেবেন।  তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া কোনো তালিকার ওপর ভিত্তি করে বিভ্রান্ত হবেন না।

আবার অনেকের মনেই প্রশ্ন, ডিম বাদ গেলে বাচ্চাদের পুষ্টির কী হবে? ইসকন জানিয়েছে, সারা ভারতের প্রায় আটটি রাজ্যে তারা ২০০৪ সাল থেকে লক্ষ লক্ষ বাচ্চাকে খাবার দিচ্ছে।  তাদের দাবি, পনির, সোয়াবিন ও ডালে ডিমের চেয়েও বেশি প্রোটিন থাকে এবং তারা খুবই স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে খাবার তৈরি করে স্কুলে পাঠাবে।  তারা বাংলার খাবারের অভ্যাসের কথা মাথায় রেখেই মেনু তৈরি করবে।

রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি একটি ছোট প্রকল্প বা ‘পাইলট প্রজেক্ট’।  এই খাবার কতটা ভালো এবং বাচ্চারা কতটা পছন্দ করছে, তা দেখার পরেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।