অন্নপূর্ণা যোজনার অগস্টের টাকা এখনও পাননি? কবে মিলবে ৩,০০০ টাকা, জানালেন মন্ত্রী মালতী রাভা রায়

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
AI Image
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

অগস্ট মাসের অন্নপূর্ণা যোজনার ভাতার টাকা এখনও ঢুকেনি।  জুন মাসের কিস্তি ৩ তারিখ এবং জুলাই মাসের কিস্তি ১ তারিখেই পৌঁছে গেলেও, অগস্টে ৬ তারিখ পেরিয়ে যাওয়ার পরও টাকা না আসায় মহিলাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

তবে এই পরিস্থিতিতে বুধবার মার্চেন্টস চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (MCCI)-র আয়োজিত নারী ক্ষমতায়ন বিষয়ক এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী মালতী রাভা রায় জানান, উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই।  এমাসের মাসের মধ্যেই অগস্টের ভাতার টাকা যোগ্য উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে।

মন্ত্রী জানান, টাকা পাঠাতে দেরির মূল কারণ প্রযুক্তিগত কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে এবং উপভোক্তাদের আবেদনপত্র ও যোগ্যতা যাচাইয়ের কাজ চলছে।  এছাড়াও নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্নপূর্ণা যোজনায় বিপুল সংখ্যক আবেদন অনলাইনে জমা পড়েছিল। প্রাথমিক পর্যায়ে সব আবেদন সঠিকভাবে যাচাই না হওয়ায় এমন কিছু ব্যক্তি এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন, যাঁরা প্রকৃতপক্ষে এর জন্য যোগ্য নন।

এছাড়াও অনলাইন ও অফলাইনে জমা পড়া বহু আবেদনপত্রে ভুল তথ্য বা অসম্পূর্ণ তথ্য পাওয়া গিয়েছে।  ফলে পুরনো আবেদনগুলির পুনরায় যাচাইয়ের পাশাপাশি নতুন আবেদনগুলিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঝাড়াই-বাছাই প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত টাকা পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না বলে দপ্তর সূত্রে জানা যায়।

মন্ত্রী আরও জানান, যাচাইয়ের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।  প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলেই দ্রুত যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে ভাতার টাকা পাঠানো হবে।  সরকারি সূত্রের দাবি, ১৫ অগস্টের পর থেকেই ধাপে ধাপে তৃতীয় কিস্তির ৩,০০০ টাকা যোগ্য উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়া শুরু হতে পারে, যদিও নির্দিষ্ট তারিখ এখনও ঘোষণা করা করেনি।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।