বিনা নোটিশে কৃষি দফতরের ১২২ কর্মী ছাঁটাই! পুনর্বহালের দাবিতে জেলাশাসকের দ্বারস্থ কর্মীরা

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

রাজ্যের কৃষি দফতরের অধীন মাটি পরীক্ষাগার (Soil Testing Laboratory) এ কর্মরত ১২২ জন অস্থায়ী কর্মীকে কোনও পূর্ব নোটিশ বা সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই কাজ থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।  এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে কাজে পুনর্বহালের দাবিতে বুধবার মালদা জেলা শাসকের (DM) দফতরে স্মারকলিপি জমা দেন ছাঁটাই হওয়া কর্মীরা।  তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন সরকারি পরিষেবায় কাজ করার পর হঠাৎ এমন সিদ্ধান্তে তাঁরা ও তাঁদের পরিবার চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন বলে জানান।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

শুধু মালদা নয়, কলকাতার টালিগঞ্জ, বাঁকুড়াসহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কৃষি দফতরের মাটি পরীক্ষাগারে কর্মরত মোট ১২২ জনকে একযোগে কাজ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।  মালদায় এই ল্যাবরেটরিতে কর্মরত ছিলেন ১০ জন। তাঁদের মধ্যে তিনজন ২০১৫ সাল থেকে এবং বাকি সাতজন ২০২৫ সালে কাজে যোগ দেন।  কোনও লিখিত নোটিশ, কারণ দর্শানোর সুযোগ বা আগাম সতর্কতা ছাড়াই তাঁদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আর কাজে যোগ দিতে হবে না।

ছাঁটাই হওয়া এক কর্মী জানান, প্রায় ১১ বছর ধরে ল্যাবরেটরি টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার পর আচমকাই তাঁদের চাকরি কেড়ে নেওয়া হয়েছে।  কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, সে বিষয়ে প্রশাসনের তরফে কোনও ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়নি।  তাঁর কথায়, দীর্ঘদিন সরকারি কাজ করার পর এই সিদ্ধান্ত তাঁদের পরিবারের রুজি-রুটির উপর সরাসরি আঘাত হেনেছে।

আরও এক কর্মী বলেন, বহু বছর ধরে একই দফতরে কাজ করার পর হঠাৎ চাকরি হারিয়ে তাঁরা দিশেহারা।  বর্তমান বয়সে নতুন করে চাকরি পাওয়াও অত্যন্ত কঠিন।  তাই শুধু পুনর্বহাল নয়, ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত চাকরি স্থায়ীকরণেরও দাবি তুলেছেন তাঁরা।  বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে আবেদন করা হয়েছে এবং রাজ্যের কৃষিমন্ত্রীর সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।