অনশনরত সোনম ওয়াংচুককে হাসপাতালে পাঠাল দিল্লি পুলিশ, নেপথ্যে হাইকোর্টের নির্দেশ

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

সোনম ওয়াংচুককে শনিবার ভোরে দিল্লির যন্তর-মন্তর থেকে হাসপাতালে নিয়ে যায় দিল্লি পুলিশ।  পুলিশের দাবি, দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশ এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।  টানা অনশনের ফলে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় অবিলম্বে চিকিৎসার প্রয়োজন ছিল বলে জানানো হয়েছে।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

গত ২৮ জুন থেকে অনির্দিষ্টকালের অনশনে বসেছিলেন ৫৯ বছর বয়সি সোনম ওয়াংচুক। নিট-ইউজি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদ এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে তিনি এই কর্মসূচিতে যোগ দেন।  ধীরে ধীরে তাঁর আন্দোলনে ছাত্র-যুবসহ বিভিন্ন মহলের সমর্থন বাড়তে থাকে।  প্রতিদিনই যন্তর-মন্তরে ভিড় বাড়ছিল এবং আন্দোলন ঘিরে দেশজুড়ে আলোচনাও তীব্র হয়।

শনিবার ভোরে বিপুল সংখ্যক পুলিশকর্মী যন্তর-মন্তরে পৌঁছে সোনম ওয়াংচুককে অ্যাম্বুল্যান্সে তুলে হাসপাতালে নিয়ে যান।  সেই সময় কয়েকজন আন্দোলনকারী বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে কিছুক্ষণের জন্য উত্তেজনা তৈরি হয়। তবে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয় বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ।

এদিকে, আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সোনম ওয়াংচুককে তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে অনশন মঞ্চ থেকে সরানো হয়েছে। আন্দোলনের মুখপাত্র সৌরভ দাস সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন।  সেখানে দেখা যায়, পুলিশকর্মীরা মঞ্চে উঠে সোনম ওয়াংচুককে স্ট্রেচারে তুলে নিয়ে যাচ্ছেন।  ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসতেই ঘটনাটি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আদালতের নির্দেশ মেনে এবং তাঁর স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা বিবেচনা করেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  সূত্রে খবর, দীর্ঘদিনের অনশন ও শারীরিক দুর্বলতার কারণে তাঁকে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।  বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেও চিকিৎসা চলবে বলে জানা গেছে।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।