গ্রামে বসবাস করলে এই খবর আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এবার থেকে রাজ্যের পঞ্চায়েতগুলির নিজস্ব আয় বাড়াতে নতুন স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (এসওপি) জারি করেছে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর। নতুন নির্দেশিকা মতে বাড়ির কর আদায়ের নিয়ম আরও কড়া করার পাশাপাশি বিকল্প আয়ের উৎস বাড়ানোর ওপরও জোর দিচ্ছে রাজ্যের বিজেপি সরকার।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে রাজ্যের ৩,৩৩৯টি গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রায় ১ কোটি ৯২ লক্ষ পরিবার রয়েছে। এসব পরিবার থেকে সম্পত্তি করসহ বিভিন্ন উৎস মিলিয়ে বছরে মোট প্রায় ৪৫১ কোটি টাকা রাজস্ব আসে। অর্থাৎ গড় হিসাবে একটি পরিবার থেকে বছরে প্রায় ২৩৩ টাকা আয় হয়। এবার সেই গড় আয় বাড়িয়ে পরিবারপিছু বছরে ১,২০০ টাকায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে এর অর্থ এই নয় যে প্রত্যেক পরিবারকে বছরে ১,২০০ টাকা কর দিতে হবে। পঞ্চায়েতগুলিকে কর আদায় আরও কার্যকর করার পাশাপাশি টোল, বিজ্ঞাপন, হোর্ডিং, হোমস্টে, পর্যটন এবং পঞ্চায়েতের নিজস্ব সম্পত্তি লিজ দিয়ে অতিরিক্ত আয় বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কর জমা দেওয়ার দিন ঠিক হওয়ার পর তিন সপ্তাহের মধ্যে কর সংগ্রহের কাজ শেষ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে কর জমা না দিলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নামের তালিকা তৈরি করা হবে এবং আরও ১৫ দিনের সুযোগ দেওয়া হবে। এরপরও বকেয়া কর জমা না পড়লে পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।
সরকারের দাবি, পঞ্চায়েতের নিজস্ব আয় বাড়লে রাস্তা, পানীয় জল, নিকাশি, আলোসহ বিভিন্ন গ্রামীণ উন্নয়নমূলক কাজে আরও বেশি অর্থ ব্যয় করা সম্ভব হবে।

