‘আজ বাংলায় নির্বাচন হলে অর্ধেক বিধায়ক হেরে যেতেন’—দাবি বিজেপি নেতার

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
চিত্রঃ সংগৃহীত
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

বিহারের বাঁকিপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে বিজেপির পরাজয়ের পর বঙ্গ রাজনীতির পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করলেন ঝাড়খণ্ডের বিজেপি নেতা ইন্দু শেখর মিশ্র।  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি দাবি করেন, “আজ বাংলায় নির্বাচন হলে অর্ধেক বিধায়ক হেরে যেতেন।”

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

বাঁকিপুর উপনির্বাচনে জন সুরাজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রশান্ত কিশোর (পিকে) বিজেপি প্রার্থী নীরজ কুমারকে ১৯ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত করেছেন।  একসময়ের বিজেপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই আসনে দলের পরাজয়কে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, বাঁকিপুর আসনটি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের পদত্যাগের পর শূন্য হয়েছিল।  উপনির্বাচনে সেখানে জন সুরাজ পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার ভোটে লড়ে জয় পান প্রশান্ত কিশোর।  তিনি ৬৩ হাজারের বেশি ভোট পেয়ে বিজেপি প্রার্থী নীরজ কুমারকে ১৯ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত করেন।  আরজেডি প্রার্থী তৃতীয় স্থানে শেষ করেন।

বিভিন্ন মহলের মতে, প্রশ্নফাঁস-বিরোধী আন্দোলন, স্থানীয় ইস্যু এবং প্রশান্ত কিশোরের প্রচার কৌশল এই ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে।  তবে এ বিষয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও ব্যাখ্যা আসেনি।

তবে বিহারের বাঁকিপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে বিজেপির পরাজয়ের পর দলের সাংগঠনিক অবস্থা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।  এরই মধ্যে বিজেপি শাসিত ত্রিপুরার প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক রাজ্যের দলীয় নেতৃত্বের কাজকর্ম নিয়ে প্রকাশ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

প্রতিমা ভৌমিকের দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জনপ্রিয়তার ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করছেন রাজ্যের অনেক নেতা।  তাঁর কথায়, “স্থানীয় নেতাদেরও মানুষের মধ্যে কাজ করতে হবে। শুধু মোদি-শাহের ওপর ভর করে নির্বাচন জেতার চেষ্টা করা ঠিক নয়।”

এছাড়াও তিনি দলের অভ্যন্তরীণ পদ বণ্টন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।  তাঁর দাবি, তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হওয়ার সময় ‘এক ব্যক্তি, এক পদ‘ নীতি অনুসরণ করার কথা বলা হলেও বর্তমানে একাধিক নেতা একই সঙ্গে বহু সাংগঠনিক পদে রয়েছেন।  তাঁর মন্তব্য, “চার-পাঁচ বছর ধরে দেখছি, এক ব্যক্তি ১০টি পদ সামলাচ্ছেন।”

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ইস্যুতে বিজেপিকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক বেড়েছে।  এর মধ্যে বিহারের বাঁকিপুর উপনির্বাচনে পরাজয় এবং দলের বিভিন্ন নেতার প্রকাশ্য মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।