বুধবার জন্মের শংসাপত্র(Birth Certificate) নিয়ে নতুন সংশোধনী বিল পেশ হয়েছে সংসদে। এবার থেকে জন্ম সার্টিফিকেট(Birth Certificate) দিয়ে একাধিক কাজ করা যেতে পারে।সংসদে যে নতুন বিল পেশ করা হয়েছে তা হলো “রেজিস্ট্রেশন অফ বার্থ অ্যান্ড ডেথ (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৩”। বুধবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই লোকসভায় “জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন (সংশোধন) বিল ২০২৩” পেশ করেছেন।
জন্ম ও মৃত্যু সার্টিফিকেট এর আগের আইনটি ছিলো “রেজিস্ট্রেশন অফ বার্থ অ্যান্ড ডেথ অ্যাক্ট, ১৯৬৯”। এখন নতুন যে বিল পেশ করা হয়েছে সংশোধনী তা হলো “রেজিস্ট্রেশন অফ বার্থ অ্যান্ড ডেথ (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৩”। এই বিলের অধীনে রেজিস্ট্রার(আবেদনকারী) সম্পূর্ণ বিনামূল্যে জন্ম(Birth Certificate Online Apply) ও মৃত্যু(Death Certificate Online Apply) সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সার্টিফিকেট সাত দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে দিতে হবে। শুধু তাই নয়, রেজিস্ট্রারের কোনও কাজ নিয়ে কোনও অভিযোগ থাকলে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। আপিলের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রারকে তার উত্তর দাখিল করতে হবে।
নতুন আইন অনুয়ায়ী এই জন্ম সার্টিফিকেট দিয়ে কি কি কাজ করা যাবে?
জন্ম শংসাপত্র দেখিয়ে এবার থেকে ভর্তি হওয়া যাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে,আর কোনো ডকুমেন্টস লাগবে না শিশুর।পাশাপাশি জন্ম সার্টিফিকেট(Birth Certificate) দিয়ে আবেদন করা যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের(Driving Licence) জন্য। যদি আপনার ভোটার কার্ড না হয়ে থাকে,তাহলে ভোটার লিস্টে নিজের নাম তুলতে গেলেও লাগবে এই জন্ম সার্টিফিকেট।আধার কার্ড তৈরি থেকে শুরু করে পাসপোর্ট বানানোর ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নথি এই জন্ম শংসাপত্র। এর আগে জন্মের তারিখ সংশোধন করার জন্য কিংবা জন্মের স্থান প্রমাণ করতে একাধিক ডকুমেন্টস এর প্রয়োজন হত। নয়া বিলে সেই ঝামেলা থেকে মুক্তির কথা বলা হয়েছে। এবার থেকে বিয়ের রেজিষ্ট্রেশন এ আবশ্যিক হচ্ছে জন্ম শংসাপত্র। যদি আপনি সরকারি চাকরিতে যোগ দিতে চান,সেখানেও দেখাতে হবে জন্ম শংসাপত্র।