রাষ্ট্রপতির অনুমোদন মেলেনি, গুন্ডা দমন আইন নিয়ে মামলা খারিজ কলকাতা হাইকোর্টে

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

রাজ্যের বহুচর্চিত দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অব অ্যান্টি-সোশ্যাল অ্যাকটিভিটিজ অ্যাক্ট, ২০২৬ (গুন্ডা দমন আইন)-এর সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলা (PIL) খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

বৃহস্পতিবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, সংশ্লিষ্ট বিলটি এখনও রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায়নি।  ফলে এটি এখনও পূর্ণাঙ্গ আইনে পরিণত হয়নি।  এই অবস্থায় আদালতের হস্তক্ষেপ করা যায় না।  সেই কারণেই জনস্বার্থ মামলাটি খারিজ করা হয়েছে।

তবে একইসঙ্গে আদালতে পশ্চিমবঙ্গ জনশৃঙ্খলা রক্ষা আইন, ১৯৭২ এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া আবেদনের শুনানিতে ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্য সরকারকে চার সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।  আবেদনকারীদের ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জবাবি হলফনামা দাখিল করতে বলা হয়েছে।  মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৬ সেপ্টেম্বর।

প্রসঙ্গত, বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজ্য বিধানসভায় গুন্ডা দমন বিল পাশ হয়।  সরকারের দাবি, সংগঠিত অপরাধ ও অসামাজিক কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে এই আইন আনা হয়েছে।  বিলে বলা হয়েছে, পুলিশ সুপার বা তাঁর ঊর্ধ্বতন কোনও আধিকারিকের রিপোর্টের ভিত্তিতে রাজ্য সরকার যদি মনে করে কোনও ব্যক্তিকে প্রতিরোধমূলকভাবে আটক রাখা প্রয়োজন, তাহলে সেই নির্দেশ দেওয়া যেতে পারে।  পাশাপাশি, প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কোনও নির্দিষ্ট এলাকায় প্রবেশেও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করার বিধান রাখা হয়েছে।

বিধানসভায় পাশ হওয়ার পর গুন্ডা দমন বিলটি রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়।  এখনও রাষ্ট্রপতির সম্মতি না মেলায় এটি আইনে পরিণত হয়নি।  তাই এই মুহূর্তে বিলটিকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের মামলার শুনানি করা সম্ভব নয় বলেই জানিয়ে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।